প্রকাশিত : ৯ জানুয়ারী, ২০২৬ ২১:২০

বগুড়ায় শুরু তিন দিনের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব

নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়ায় শুরু তিন দিনের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করেছে বগুড়ার পুণ্ড্রনগর চলচ্চিত্র সংসদ। ছবি: ফেসবুক

‘তারুণ্যের চলচ্চিত্র, তারুণ্যের উৎসব’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে বগুড়ায় শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। পুণ্ড্রনগর চলচ্চিত্র সংসদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ উৎসব আগামী শনিবার শেষ হবে। উপমহাদেশের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবারের উৎসবটি উৎসর্গ করা হয়েছে তাঁকে।

আয়োজক সূত্র জানায়, এবারের উৎসবে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৩২টি দেশের মোট ৭৪টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হচ্ছে। নির্বাচিত চলচ্চিত্রগুলো বগুড়ার মধুবন সিনেপ্লেক্স ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে প্রদর্শন করা হবে।

গতকাল মধুবন সিনেপ্লেক্সে উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন উৎসব পরিচালক সুপিন বর্মন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উৎসব চেয়ারম্যান এম রহমান সাগর। উদ্বোধনী পর্বে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরউল্লাহ, নেপাল কালচারাল ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের চেয়ারম্যান সন্তোষ সুবেদী, বগুড়া থিয়েটারের আহ্বায়ক পলাশ খন্দকার এবং নির্মাতা মোহাম্মদ রকিবুল হাসান, অন্তু আজাদ ও রাজিবুল হোসাইন।

উৎসব পরিচালক সুপিন বর্মন জানান, এবারের উৎসবে সাতটি ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য, ফিচার ফিল্ম, ডকুমেন্টারি, অ্যানিমেটেড ফিল্ম, ওপেন ডোর শর্ট ক্যাটাগরি এবং ন্যাশনাল ফিল্ম কম্পিটিশন। শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পাশাপাশি প্রদান করা হবে ‘অনারেবল মেনশন’ অ্যাওয়ার্ড। প্রতিটি ক্যাটাগরিতে সেরা চলচ্চিত্র নির্বাচনের জন্য অভিজ্ঞ জুরিবোর্ড গঠন করা হয়েছে।

আয়োজকেরা জানান, মধুবন সিনেপ্লেক্সে শুক্রবার বেলা তিনটা থেকে এবং শনিবার সকাল ১০টা থেকে উৎসবে অংশ নেওয়া চলচ্চিত্রগুলো প্রদর্শিত হবে। জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে উদ্বোধনী দিনের পাশাপাশি শুক্রবারও একাধিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনের আয়োজন রয়েছে। এ ছাড়া উৎসবের অংশ হিসেবে চলচ্চিত্রবিষয়ক সেমিনার এবং আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত আলোকচিত্রী তৌহিদ পারভেজ বিপ্লবের আলোকচিত্র নিয়ে ‘ফটো রিলস’ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।

উৎসবে বিশ্বের ছয়টি দেশের মোট ৪৫ জন চলচ্চিত্র নির্মাতা ও কলাকুশলী অংশগ্রহণ করেছেন।

উপরে