প্রকাশিত : ৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৯

নন্দীগ্রামে ডিজিএফআই পরিচয়ে প্রতারণা, আটক ১; পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও মদ উদ্ধার

মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ গ্রেপ্তার ৩, দুই মাদকাসক্তকে জেল-জরিমানা
নিজস্ব প্রতিবেদক
নন্দীগ্রামে ডিজিএফআই পরিচয়ে প্রতারণা, আটক ১; পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও মদ উদ্ধার

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় ডিজিএফআই কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। একই সময়ে পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেট ও চোলাই মদ উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

সোমবার (৬ এপ্রিল) উপজেলার ডুবাতেঘর এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ৫৬৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় জয়নব খাতুন (৩৪) নামে এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা তাজউদ্দিন উজ্জ্বলের স্ত্রী। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পৃথক আরেক অভিযানে দুই মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকার তাদের প্রত্যেককে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— বাবলু প্রামাণিক (৩৩) ও সাহাফুকার রহমান (৪০)।

এদিকে ডিজিএফআই কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে আটক মুকিত পার্থ (৩৬) উপজেলার সদর ইউনিয়নের তেঘরি এলাকার বাসিন্দা। তিনি মনজুরুল হকের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মুকিত পার্থ দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও পুলিশ সার্জেন্ট পরিচয়ে বিভিন্ন স্থানে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করতেন। সোমবার উপজেলার রনবাঘা এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সময় তাকে আটক করা হয়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিতরা জানান, ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল আরোহীদের দীর্ঘ সারি থাকলেও তিনি নিজেকে ডিজিএফআই কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে নিয়ম ভেঙে আগে পেট্রোল নিতে চাপ প্রয়োগ করেন। পরে স্টেশনের ম্যানেজারের কাছে তেল সরবরাহ, মজুত ও বিতরণ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তার আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়। একপর্যায়ে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম জানান, ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী সাত্তার আলী বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। প্রতারণার অভিযোগে আটক মুকিত পার্থকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

উপরে