প্রকাশিত : ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:১৫

বগুড়ার শেরপুরে দাখিল পরীক্ষায় পুরোনো সিলেবাসের প্রশ্ন, তদন্ত কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়ার শেরপুরে দাখিল পরীক্ষায় পুরোনো সিলেবাসের প্রশ্ন, তদন্ত কমিটি গঠন

বগুড়ার শেরপুরে দাখিলের গণিত পরীক্ষায় নতুন সিলেবাসের পরিবর্তে পুরোনো সিলেবাসের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে হল সুপার ও চার কক্ষ পরিদর্শককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইদুজ্জামান হিমু।

তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন—উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল জোব্বার এবং শিক্ষা অফিসের অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার মো. জাকির হোসেন।

অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন—হল সুপার হায়দার আলী এবং কক্ষ পরিদর্শক হাসনা খাতুন, জোবায়দা খাতুন, কাওছার আহম্মেদ ও মামুনুর রশিদ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোববার (২৬ এপ্রিল) শেরপুর শহীদিয়া আলিয়া কামিল মাদরাসা কেন্দ্রের ১০১ ও ১০২ নম্বর কক্ষে মোট ২৯ জন পরীক্ষার্থী দাখিলের গণিত পরীক্ষা দেন। তারা সবাই নতুন সিলেবাসের শিক্ষার্থী হলেও পরীক্ষার সময় তাদের হাতে পুরোনো ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র তুলে দেওয়া হয়।

পরীক্ষা শেষে বাড়ি গিয়ে বিষয়টি জানতে পেরে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি ফলাফল নিয়ে অনিশ্চয়তার আশঙ্কাও প্রকাশ করেন।

কেন্দ্র সচিব ও মাদরাসার অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল। বিষয়টি মাদরাসা বোর্ডকে জানানো হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের ফলাফলে কোনো সমস্যা হবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

ইউএনও মো. সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

উপরে