প্রকাশিত : ১৭ মে, ২০২৬ ০১:৪৩

বগুড়ার শিবগঞ্জে চাকরিজীবী দম্পতির ‘এন.এস এগ্রো ফার্ম’ ঘিরে কৌতূহল, চারটি লাল ষাঁড় গরুতে বাড়ছে আকর্ষণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়ার শিবগঞ্জে চাকরিজীবী দম্পতির ‘এন.এস এগ্রো ফার্ম’ ঘিরে কৌতূহল, চারটি লাল ষাঁড় গরুতে বাড়ছে আকর্ষণ

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বুড়িগঞ্জ ইউনিয়নের কামতারা গ্রামে সরকারি চাকরিজীবী দম্পতি মো. শহিদ আলম ও মোছা. নাজমিন আক্তার গড়ে তুলেছেন “এন.এস এগ্রো ফার্ম” নামে একটি ছোট গরুর খামার। শখ ও ভালোবাসা থেকে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ এখন স্থানীয়দের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

খামারে বর্তমানে চারটি লাল রঙের ষাঁড় গরু রয়েছে, যেগুলো দেখতে প্রতিদিনই বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ ভিড় করছেন বলে জানা গেছে। চাকরির পাশাপাশি অবসর সময়ে দম্পতি নিজেই গরুগুলোর যত্ন নেন, আর বাকি সময় দেখাশোনা করেন পরিবারের সদস্যরা, বিশেষ করে শ্বশুর-শাশুড়ি। খামারটি ঘিরে বর্তমানে একজনের কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হয়েছে।

খামার উদ্যোক্তা মো. শহিদ আলম জানান, মায়ের দেওয়া একটি গরু থেকে শখের বশে তাদের এই খামারের যাত্রা শুরু। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেটিই ছোট পরিসরের একটি এগ্রো ফার্মে রূপ নেয়। তিনি বলেন, চাকরির পাশাপাশি এই খামার তাদের বাড়তি আয়, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং মানসিক প্রশান্তি দিচ্ছে।

তিনি আরও জানান, গবাদিপশু পালনে তার আগ্রহ তৈরি হয় বগুড়ার ভান্ডার এগ্রোফার্মের পরিচালক তৌহিদ পারভেজ বিপ্লবের অনুপ্রেরণায়। ছোটবেলা থেকেই খামার করার স্বপ্ন ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বর্তমানে খামারে থাকা চারটি ষাঁড়ের প্রতিটির ওজন প্রায় ৩৫০ থেকে ৪০০ কেজি। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে গরুগুলো বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে দম্পতির, যা থেকে বাড়তি আয়ের আশা করছেন তারা।

শহিদ আলম বলেন, তারা ভবিষ্যতে খামারটি আরও সম্প্রসারণ করতে চান এবং শিক্ষিত তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে চান। একইসঙ্গে তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে নিজ উদ্যোগে উদ্যোক্তা হওয়ার চেষ্টা করলে দেশের অর্থনীতি ও জীবনমান আরও উন্নত হবে।

উপরে