প্রকাশিত : ১৯ মে, ২০২৬ ১২:৫৫

বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রথম প্রশাসক হিসেবে যোগদান করলেন এম আর ইসলাম স্বাধীন

নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রথম প্রশাসক হিসেবে যোগদান করলেন এম আর ইসলাম স্বাধীন
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার বগুড়া আজ সিটি করপোরেশন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। নবগঠিত বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রথম পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন এম আর ইসলাম স্বাধীন।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর লিখিত পত্রের মাধ্যমে তিনি বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক পদের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

গত রোববার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশ, ২০২৪-এর ধারা ২৫ক অনুযায়ী এম আর ইসলাম স্বাধীনকে বগুড়া সিটি করপোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুসারে, তিনি সিটি করপোরেশনের মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।

২১ ওয়ার্ডের নতুন সিটি করপোরেশন

এর আগে গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান স্বাক্ষরিত গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বগুড়াকে সিটি করপোরেশন ঘোষণা করা হয়। বগুড়া পৌরসভা এবং সদর ও শাজাহানপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা (ফুলবাড়ী, নিশিন্দারা, কাটনারপাড়া, সুত্রাপুর, মালগ্রাম, ঠনঠনিয়া, মালতীনগর, ফুলদিঘী ও বেতগাড়ীসহ) সমন্বয়ে মোট ২১টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত হয়েছে নতুন এ সিটি করপোরেশন।

শুভেচ্ছা ও প্রতিক্রিয়া

যোগদানের পর এম আর ইসলাম স্বাধীন বলেন, “আমি বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। সেই সঙ্গে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীকেও ধন্যবাদ জানাই। সব মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বগুড়া সিটি করপোরেশনকে নতুনভাবে সাজাবো।”

ছাত্রদল নেতা নাহিদ স্বাধীনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে স্বাধীন ভাই বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রথম প্রশাসক হয়েছেন। আমরা চাই, তার হাত ধরেই বগুড়ার সব অপূর্ণতা পূরণ হোক।”

নবগঠিত সিটি করপোরেশন ঘোষণা ও প্রশাসক নিয়োগে বগুড়াবাসীর মধ্যে নতুন উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তবে পরিকল্পিত অবকাঠামো উন্নয়ন, নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং সিটিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়া প্রথম প্রশাসকের সামনে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

উপরে