প্রকাশিত : ২০ মে, ২০২৬ ০১:৫১

নন্দীগ্রামে ডাকাতের লুট, ঝড়ে ভাঙা ঘর, শরিফুলের মৃত্যুর পর দিশেহারা পরিবার

নন্দীগ্রাম বগুড়া সংবাদদাতাঃ
নন্দীগ্রামে ডাকাতের লুট, ঝড়ে ভাঙা ঘর, শরিফুলের মৃত্যুর পর দিশেহারা পরিবার
বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও এলাকার সুপরিচিত মুখ মরহুম শরিফুল ইসলামের মৃত্যুর পর পরিবারে নেমে এসেছে একের পর এক দুর্যোগ। সড়ক দুর্ঘটনায় তার মর্মান্তিক মৃত্যুর পর থেকেই পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত শরিফুল ইসলাম এলাকায় একজন সৎ, সাহসী ও মানবিক ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। রাজনৈতিক ও সামাজিক নানা কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু পরিবারটিকে অসহায় অবস্থায় ফেলে দেয়।এরপর থেকেই যেন দুর্ভাগ্য পিছু ছাড়ছে না পরিবারটির। কয়েক মাস আগে তাদের বাড়িতে সংঘটিত হয় ডাকাতির ঘটনা। এতে পরিবারের মূল্যবান জিনিসপত্র লুট হয়ে যায়। সেই ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠতে না উঠতেই সম্প্রতি কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাদের বসতঘর। ঝড়ের তাণ্ডবে ঘরের টিন উড়ে যায়, দেয়াল ভেঙে পড়ে এবং বাড়ির বড় একটি অংশ বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।বর্তমানে পরিবারটি চরম কষ্টের মধ্যে দিন পার করছে। সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে এমনিতেই দিশেহারা পরিবারটি এখন মাথা গোঁজার ঠাঁই নিয়েও শঙ্কায় রয়েছে। সন্তানদের লেখাপড়া, খাবার ও চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, মরহুম শরিফুল ইসলাম ছিলেন অত্যন্ত ভদ্র, মিশুক ও জনবান্ধব একজন মানুষ। তার মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্থানীয়দের মতে, একজন ত্যাগী রাজনৈতিক কর্মীর পরিবারের এমন দুরবস্থা সত্যিই হৃদয়বিদারক।এদিকে বগুড়া-০৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন খবরটি জানার পর পরিবারটিকে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সহযোগিতার হাত বাড়ানো না হলে পরিবারটি আরও গভীর সংকটে পড়ে যাবে।
উপরে