ধুনটে লাম্পি স্কিন রোগে কোরবানির গরু মরছে, ক্ষতির মুখে খামারিরা
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়ে একের পর এক গরু মারা যাওয়ায় কোরবানির ঈদের আগে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন খামারি ও কৃষকরা।
সোমবার (২৫ মে) দুপুরে ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের ভূতবাড়ি গ্রামের লুৎফর রহমানের একটি কোরবানির গরু মারা যায়। এর তিনদিন আগে তার আরেকটি গরু মারা যায়। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে চারটি গরু হারিয়ে তিনি আর্থিকভাবে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন। লুৎফর রহমানের গরুটি লাখ টাকার ওপরে বিক্রি হওয়ার কথা ছিল।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত সাতদিনে একই গ্রামের মোকবুল হোসেন, শহীদুল ইসলাম, আব্দুল লতিফ, দুলাল হোসেনসহ কয়েকজন কৃষকের অন্তত আটটি গরু মারা গেছে। ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নে আক্রান্ত গরুর সংখ্যা শতাধিক বলে জানা গেছে।
১৫ দিন ধরে এলাকায় লাম্পি স্কিন রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। ঈদ উপলক্ষে প্রাণিসম্পদ অফিস বন্ধ থাকায় কোনো সহায়তা পাচ্ছেন না কৃষকরা। অনেকে পল্লিচিকিৎসক, কবিরাজ ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছেন, কিন্তু কোনো সুফল পাচ্ছেন না।
ধুনট উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রেহানা খাতুন বলেন, “লাম্পি স্কিন রোগে গরু আক্রান্ত বা মারা যাওয়ার খবর এখনো কেউ আমাকে জানায়নি। আগামীকাল ওই এলাকায় গরুর ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত গরুর শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ ও তরল খাবার খাওয়াতে হয়। সাধারণত এ রোগে মৃত্যুঝুঁকি কম, তবে দুর্বল, রোগা ও বাছুরের মৃত্যু হতে পারে।
