প্রকাশিত : ৩ জুন, ২০২৬ ০০:৩৭
নন্দীগ্রামে বান্ধবীর পিতা কর্তৃক পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণের শিকার
নন্দীগ্রাম বগুড়া সংবাদদাতা
বগুড়ার নন্দীগ্রামে বান্ধবীর পিতা কর্তৃক পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণের শিকার ও ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটে নন্দীগ্রাম পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দামগাড়া গ্রামের মাদারতলা এলাকায়।
জানা যায়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে ১২ বছর বয়সী ওই ছাত্রী প্রতিবেশী বান্ধবী আছিয়া খাতুনের খোঁজে তাঁর বাড়িতে যায়। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে তাঁর বান্ধবীর পিতা দোলা হোসেন (৩৫) ওড়না দিয়ে তাঁর মুখ বেঁধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন করায় ওই ছাত্রী ধর্ষণের বিষয়টি গোপন রাখে। ধর্ষক দোলা হোসেন দামগাড়া গ্রামের মাদারতলা এলাকার মোজাফফর হোসেনের ছেলে। সে একজন আইসক্রিম বিক্রেতা।
এদিকে তাঁর শারীরিক পরিবর্তন দেখে গত ২৪ মে তাঁর মা তাঁকে জিজ্ঞাসা করিলে সে ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করে ঘটনার কথা খুলে বলেন। ওইদিনই তাঁর মা তাঁকে নন্দীগ্রাম ফাতেমা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাঁর আল্ট্রাসনোগ্রাম করে রিপোর্ট প্রদান করেন। সেই রিপোর্টে ওই ছাত্রী ৪ মাস ১০দিনের অন্তঃসত্ত্বা। বিষয়টি তাঁর পরিবার পারিবারিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করে কিন্তু মীমাংসা না হওয়ায় ২ জুন ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে নন্দীগ্রাম থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি এসআই রাশেদুল ইসলাম তদন্ত শুরু করেছেন।
এ বিষয়ে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রাজু কামাল বলেন, এ ঘটনায় নন্দীগ্রাম থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা হয়েছে। মামলাটি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। সেই সাথে মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
