প্রকাশিত : ৬ জুলাই, ২০২৬ ০১:০৯

বগুড়ার ধুনুটে ফিড মিলে ভাঙচুর ও যন্ত্রাংশ চুরি, থানায় অভিযোগ

এনামুল হক, বগুড়াঃ
বগুড়ার ধুনুটে ফিড মিলে ভাঙচুর ও যন্ত্রাংশ চুরি, থানায় অভিযোগ

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় একটি ফিড মিলের স্থাপনা ভাঙচুর, যন্ত্রাংশ চুরি এবং জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে অভিযুক্ত করে ধুনট থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন মিলটির মালিক এম জাহিদুল ইসলাম (নাইস)।

লিখিত অভিযোগে জাহিদুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালের ৪ এপ্রিল নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে তিনি ধুনট উপজেলার একটি জমি ক্রয় করে সেখানে ‘আরএন’ নামে একটি ফিড মিল স্থাপন করেন। পরে তাঁর বসতবাড়ি ঘটনাস্থল থেকে দূরে হওয়ায় পরিচিত ব্যক্তি কেএম শাহিদুর রহমান (সম্রাট)-এর কাছে মিলটির দেখভালের দায়িত্ব দেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই শাহিদুর রহমান তাঁর অজান্তে মিলের ক্ষতি এবং সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করেন। বিষয়টি শাহিদুর রহমানের অভিভাবক আশিকুর রহমান (বাবু খাঁ)-কে জানানো হলেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। বরং তাঁরা পরস্পরের যোগসাজশে সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টা চালিয়ে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাহিদুল ইসলাম আরও বলেন, ব্যবসায় লোকসানের কারণে প্রায় দেড় বছর আগে ফিড মিলের কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। এরপর প্রায় আট মাস আগে অভিযুক্তরা তাঁর অনুমতি ছাড়া মিল চত্বরে প্রবেশ করে ভেকু দিয়ে জমির একটি অংশে পুকুর খনন করেন এবং কাটা মাটি বিক্রি করেন। এতে তাঁর প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া গত ২৯ জুন থেকে ৪ জুলাইয়ের মধ্যে কোনো এক সময় অভিযুক্তরা ফিড মিলের স্থাপনা ভেঙে টিন, অ্যাঙ্গেল ও ইট খুলে নিয়ে বিক্রি করেন। একই সঙ্গে মিলের সব যন্ত্রাংশও চুরি করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। গত ৪ জুলাই ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি মিলের কোনো স্থাপনা বা যন্ত্রাংশ দেখতে পাননি।

অভিযোগকারী দাবি করেন, ফিড মিলের স্থাপনা ও যন্ত্রাংশ মিলিয়ে তাঁর প্রায় আড়াই কোটি টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত কেএম শাহিদুর রহমান (সম্রাট) বলেন, আমার মিল আমি ভেগেছি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপরে