প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০২২ ০১:৩৯

অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে প্রতিটি উৎসব বাঙালির প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়- দুলু

ষ্টাফ রিপোর্টার
অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে প্রতিটি উৎসব
বাঙালির প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়- দুলু

বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আসাদুর রহমান দুলু বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় কোনদিন সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়াতে পারবে না। কারণ এই দেশের প্রতিটি মানুষ একে অপরের সাথে মিশে আছে। ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে এই অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে আজ প্রতিটি উৎসব বাঙালির প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়। দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের প্রতিটি স্থানে আজ সকল ধর্মের মানুষ তাদের নিজ ধর্ম নিজেদের মতো করে পালন করতে পারে। তবে এইদেশে এখনো স্বাধীনতাবিরোধী একটি অপশক্তি রয়েছে যারা মাঝে মাঝেই ঐক্যবদ্ধ বাঙালির মাঝে ফাটল ধরাতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার উস্কানি দেয় যা শক্ত হাতে প্রতিহত করতে হবে। একই সাথে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে হবে।

‘দেশ মাতৃকার কল্যাণ ও বিশ^ শান্তি কল্পে’ বগুড়া গাবতলীর মহিষাবান কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানে চৈত্র সংক্রান্তি উৎসব উপলক্ষ্যে শ্মশান কমিটির আয়োজনে বৃহস্পতিবার মহাশ্মশান প্রাঙ্গণে শ্রীমদ্ভগবদ্ গীতাপাঠ, বৈষ্ণব পদাবলী কীর্তন ও ভোগ মহোৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
মহিষাবান কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান কমিটির সভাপতি নিকুঞ্জ কুমার পালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ বগুড়া পৌর কমিটির সভাপতি ও রাজাবাজার আড়ৎদার ও সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পরিমল প্রসাদ রাজ, গাবতলী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক আহম্মেদ, ৮নং মহিষাবান ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ মন্ডল এবং মুকুন্দ গোঁসাই আশ্রমের সভাপতি মনিন্দ্রনাথ মোহন্ত। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বরেণ্য অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ গাবতলী উপজেলা শাখার সভাপতি ধন্য গোপাল সিংহ এবং সাধারণ সম্পাদক ডা: চন্দ্র শেখর রায়। অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় ছিলেন মহাশ্মশান কমিটির সাধারণ সম্পাদক শংকর কুমার রায়। উল্লেখ্য, ২২তম অধিবেশনে হাজারো ভক্তবৃন্দের পদচারণায় প্রতিবারের ন্যায় এইবারও উক্ত মহাশ্মশান প্রাঙ্গণ ছিলো মুখরিত। দিনব্যাপী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ গীতার বিভিন্ন শ্লোক উচ্চারণ এবং বৈষ্ণব পদাবলী কীর্তনের মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি আদায়ের মাধ্যমে দেশ মাতৃকার কল্যাণ কামনা করা হয় উক্ত উৎসবে। পরিশেষে ভোগ মহোৎসবের মাধ্যমে সকল ভক্তবৃন্দের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

উপরে