প্রকাশিত : ২০ এপ্রিল, ২০২২ ২৩:১৭
দুপচাঁচিয়ায় ঈদের কেনাকাটা জমে উঠেছে
দুপচাঁচিয়া(বগুড়া) প্রতিনিধিঃ
পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় মার্কেটগুলোতে ঈদের বেচা-কেনা জমে উঠেছে। বেলা ১০টার পর হতে ইফতারের আগ মুহুর্ত পর্যন্ত ক্রেতাদের পদচারনায় মার্কেটগুলোতে ভীড় লক্ষ্যনীয়। করোনাভাইরাইসের কারণে গত দু’বছর দোকানীরা ভালো বেচা-কেনা করতে না পারলেও এবার বেচা-কেনা বেশ জমে উঠেছে। পার্শ্ববর্তী আক্কেলপুর, ক্ষেতলাল, আদমদীঘি ও কাহালু উপজেলার লোকজনও এ উপজেলায় ঈদের কেনা-কাটা করতে আসেন। দুপচাঁচিয়া উপজেলা সদরে নিউ মার্কেট, জোবেদা সপিং সেন্টার, চেয়ারম্যান মার্কেট, মৌ প্লাজা, মদিনা মার্কেট, নুরুল ইসলাম সুপার মার্কেট, বিসমিল্লাহ মার্কেট সহ বেশ কয়েকটি মার্কেট রয়েছে। এর পাশাপাশি সুরুজ আলী সুপার সপ নামে সিও অফিস বাসস্ট্যান্ডে একটি বিলাস বহুল মার্কেট রয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে এ মার্কেটগুলোতে ক্রেতারা কেনা-কাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
গকাল বুধবার দুপুরে বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে ও দোকানীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এবার জারারা ও সারারা(১হাজার থেকে ৫হাজার), পুষ্পা(১হাজার থেকে ৪হাজার), কাঁচা বাদাম থ্রিপিচ(৬’শ থেকে ১হাজার ২’শ), ইন্ডিয়ান থ্রি-পিচ গ্লাক্সি (১হাজার ২’শ থেকে ৫হাজার) পাঞ্জাবী প্রকার ভেদে(৪’শ থেকে ৩হাজার ৫’শ), জিন্স প্যান্ট (৬’শ থেকে ২হাজার ২’শ), গ্যাভাডিন (৫’শ থেকে ১হাজার ৩’শ), শার্ট (৫’শ থেকে ১হাজার ৫’শ) টাকা ও টি-শার্ট (২’শ ৫০ থেকে ১হাজার ৫’শ) টাকা দরে কেনা-বেচা হচ্ছে। তবে বেশি বেচা-কেনা হচ্ছে জারারা, সারারা, পুষ্পা ও কাঁচা বাদাম থ্রি-পিচ।
কেনা-কাটা করতে আসা কাহালুর বাথই কাজীপাড়া গ্রামের লিটন প্রাং বলেন, পোশাক পছন্দ হলেও প্রতিটি পোশাকের দাম দোকানীরা বেশি চাচ্ছেন। তারপরেও ঈদ বলে কথা, কিনতে তো হবেই।
সিও অফিস বাসস্ট্যান্ড এলাকার মুক্তার গার্মেন্টস এর পরিচালক মুক্তার হোসেন জানান, গত দুই বছর ঈদ মৌসুমে তেমন বেচা-কেনা করতে পারিনি। এবার ক্রেতাদের চাহিদা বেশ ভালো। তবে দাম নিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে বেশি কথা বলতে হচ্ছে।
দৈনিক চাঁদনী বাজার / সাজ্জাদ হোসাইন
