প্রকাশিত : ৩১ আগস্ট, ২০২২ ১০:৪৬

শাজাহানপুরে মধ্যযোগীয় কায়দায় মারপিট। থানায় অভিযোগ

শাজাহানপুর বগুড়া প্রতিনিধি
 শাজাহানপুরে মধ্যযোগীয় 
কায়দায় মারপিট। থানায় অভিযোগ

কোটে মামলা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বগুড়ার শাজাহানপুরে মধ্যযোগীয় কায়দায় সাবিনা নামের মহিলাকে মারপিট গুরুত্বর আহত। এ বিষয়ে শাজাহানপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

অভিযোগ ও পারিবারিক সুত্রে জানাগেছে,শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা ইউনিয়নের চাঁচাইতারা মধ্যপাড়া গ্রামের মোছাঃ সাবিনা বেগম (৩৭),স্বামী মোঃ মজিবুর(অবসর প্রাপ্ত আর্মি) বিবাদী ১.মোঃ রাব্বী(২২),পিতা-মোঃ সুলতান ২.মোঃ সুলতান (৪২)৩. মোঃ সিরাজুল ইসলাম (৩৫) উভয়ের পিতা মোঃ জাকের আলী ৪.মোছাঃ শামীমা আকতার(১৮)পিতা মোঃ সুলতান ৫. মোছাঃ জোমেলা বেগম (৫৮)স্বামী মোঃ জাকের আলী  ৬.মোছাঃ রুমা বেগম(২৬) স্বামী মোঃ সিরাজুল ইসলাম ৭.মোছাঃ রাবেয়া বেগম(৩৫)স্বামী মোঃ সুলতান ৮ মোছাঃ জাকিয়া (৩২) স্বামী মোঃ সাইফুল ইসলাম সকলের সাং- খলিশাকান্দি উত্তরপাড়া,ইউনিয়ন -খোট্রাপাড়া,থানা-শাজাহানপুর,জেলা-বগুড়া বিবাদীগণের নামে বিঙগ জেলা বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্র্যাইব্যুনাল ১-এ নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা চলমান রহিয়াছে।

উল্লেখ তাকে যে,১ নং বিবাদী মোঃ রাব্বী, বাদী সাবিনা বেগমের বিবাহিত মেয়েকে ধর্ষনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছিল। সেই মামলাটি কোটে চলমান।

আমার বোন মোছাঃ লাইলী বেগম,স্বামী মোঃ বেলাল হোসেনের বাড়ী ও বিবাদীগণের  বাড়ী পাশাপাশি গত ২৬-০৮-২২ইং তারিখ সকাল অনুমান ৯টার দিকে আমি সাবিনা এবং আমার স্বামী মজিবুর রহমান আমার বোনের বাড়ীতে বেড়াইতে যাই। আমরা বেড়াইতে এসেছি বিবাদীগণ জানতে পেরে
তারা সংঘবদ্ধ ভাবে হঠাৎ করে দলবদ্ধ হয়ে লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র লইয়া আমাদেরকে কোটের মামলা তুলে নিতে বলে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও বিভিন্ন রকমের প্রাণ নাশের  হুমকি দেয়।

আমরা তার মৌখিক প্রতিবাদ করলে বিবাদীগণ সংখায় বেশী হওয়ায় তারা লাঠিশোডা ও দেশীয় অস্তসস্ত্র নিয়ে আমাদেরকে মধ্যযোগীয় কায়দায় মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে জখম করে, আমার ১০ আনা সোনার একটি চেইন গলায় ছিল যাহার বাজার মূল্যে(৫০.০০০)হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়,এবং জোরপূর্বক আমাকে তাদের বাড়ীর মধ্যে নিয়ে যেয়ে ‘তিনশত, টাকার ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিতে বলে। আমি স্বাক্ষর না দিলে তখন তারা আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এ অবস্থা দেখে স্থানীয় জনগন ও আমার স্বামী  উপায় না পেয়ে জরুরী সেবা ৯৯৯ নম্বরে মোবাইল করলে শাজাহানপুর থানার পুলিশ এসে আমাকে উদ্ধার করে।

এরপর আমি অচেতন হয়ে পড়লে  আমার আত্বীয় স্বজনেরা  প্রথমে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাঁসপাতাল ও পরে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেলে কলেজ ও হাঁপাতালে চিক্যিসার ব্যবস্থা করেন।

এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্দকারী কর্মকর্তা এস, আই রেজা জানান আমি উভয় পরিবারকে আইন শৃংখলা বিষয়ে শান্ত খাকার পরামর্শ দেই। অভিযোগ হয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  দৈনিক চাঁদনী বাজার / সাজ্জাদ হোসাইন

উপরে