বগুড়ায় শুদ্ধস্বরের চরমপত্র বিষয়ক সভা
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শুদ্ধস্বর-এর উদ্যোগে বগুড়ার কৃতিসন্তান এম আর আখতার মুকুল-এর ঐতিহাসিক ‘চরমপত্র’ ভিত্তিক আলোচনা অনুষ্ঠান ‘এম আর আখতার মুকুলের চরমপত্র: মুক্তিযুদ্ধের আলোকবর্তিকা’ গত ২৯ ডিসেম্বর বিকাল ৪টায়, ম্যাক্স মোটেল কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়।
শুদ্ধস্বর-এর সদস্য এবিএম জিয়াউল হক বাবলার সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়ার সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ সামস্-উল আলম জয়। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বগুড়া আইন কলেজের অধ্যক্ষ এড. আল মাহমুদ ও বিশিষ্ট চিকিৎসক এন সি বাড়ই। আলোচনার শুরুতে বিষয়ভিত্তিক কি-নোট উপস্থাপন করেন সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজ, বগুড়ার সহযোগী অধ্যাপক ড. ত্বাইফ মামুন। মূলআলোচক নজরুল পরিষদ, বগুড়ার সভাপতি এড. মনতেজার রহমান মন্টু বিস্তারিত আলোচনা করেন। এরপর মুক্তআলেচনায় অংশ নেন শুদ্ধস্বরের সহ সভাপতি আতিকুর রহমান মিঠু, তছলিম উদ্দিন তরফতার ডিগ্রি কলেজ বগুড়ার অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, এড. নুরুল ইসলাম চৌধুরী, কবি মঞ্জুর রহমান, ছড়াকার রতন খান, কবি আজিজার রহমান তাজ ও শেখ মাসুকুর রহমান শিহাব। আলোচকরা বলেন শব্দসৈনিক এম আর আখতার মুকুলের চরমপত্র মুক্তিযোদ্ধাদের ভীষণভাবে উজ্জীবিত করতো। মুক্তিযুদ্ধের সময় সাধারণ মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে চরমপত্র অনুপ্রাণিত করেছিল। এম আর আখতার মুকুলের ‘চরমপত্র’ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে সর্ম্পকযুক্ত। তাঁরা আরও বলেন এম আর আখতার মুকুল ও তাঁর কথিকা ‘চরমপত্র’ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি না পেলেও বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের স্মৃতিতে জড়িয়ে রয়েছে। তারা বলেন এম আর আখতার মুকুলকে জাতীয়ভাবে স্মরণ করা এবং পাঠ্যপুস্তকে ‘চরমপত্র’ সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা বাঞ্ছনীয়। আলোচনা অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শুদ্ধস্বর-এর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক।
দৈনিক চাঁদনী বাজার / সাজ্জাদ হোসাইন
