প্রকাশিত : ২৯ এপ্রিল, ২০২৩ ২৩:৩৫

রাণীনগরের বিলকৃষ্ণপুর-বোদলা গ্রামীণ রাস্তার বেহাল দশা

ষ্টাফ রিপোর্টার
রাণীনগরের বিলকৃষ্ণপুর-বোদলা গ্রামীণ রাস্তার বেহাল দশা

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার বিলকৃষ্ণপুর বাজার থেকে বোদলা পর্যন্ত গ্রামীণ পাকা রাস্তাটির কারপেটিং উঠে গিয়ে খানাখন্দে ভরপুর হয়ে বেহাল দশা হয়েছে। দীর্ঘদিন রাস্তাটি সংস্কার কিংবা মেরামত না করায় দিন দিন চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। বর্তমানে শুষ্ক মৌসুমেই রাস্তাটি দিয়ে যানবাহন চলাচল করা বিপদজনক হয়ে গেছে। ফলে চড়ম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসি।

জানা গেছে, উপজেলা এলজিইডির আওতায় নির্মিত প্রায় ৩ কিলোমিটার পাকা এই গ্রামীণ রাস্তা দিয়ে বোদলা, তেবাড়িয়া, বিলপালশা, বিলকৃষ্ণপুর গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ চলাচল করে থাকেন। জনগুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ এই রাস্তা দিয়ে শুধুমাত্র নিত্যদিনের চলাচলই নয়। এলাকার প্রান্তিক পর্যায়ের শতাধিক কৃষকদের জমিতে উৎপাদিত ফসল ধানসহ অন্যান্য কৃষিপণ্য পরিবহন করে স্থানীয় বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে চালান করতে হয়। 

স্থানীয়রা জানান, রাস্তাটি দীর্ঘদিনেও সংস্কার করা হয়নি। যার কারণে বর্তমানে রাস্তার কারপেটিং উঠে গিয়ে খানাখন্দে ভরপুর হয়ে গেছে। ফলে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়ছে। আর রাস্তায় বড় বড় গর্ত হওয়ার কারণে ছোট ছোট যানবাহনে করে ধান পরিবহন করতেও চরমভাবে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে কৃষকদের। এছাড়া উল্টে যাওয়ার ভয়ে হালকা মালামালসহ ভারি মালামাল পরিবহন করছে না যানবাহনের চালকরা। যার কারণে ধান পরিবহনের দুর্ভোগ থেকে বাঁচতে ধানের দাম প্রতি মনে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কমে কৃষকদের বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে করে ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা লাভবান হচ্ছে আর প্রান্তিক কৃষকরা নায্যমূল্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বোদলা গ্রামের বাসিন্দা মুহুরী সাইদুর রহমানসহ কয়েকজন বলেন, জনগুরুত্বপূর্ন এই গ্রামীণ রাস্তাটি দিন দিন চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। রাস্তার মাঝে মাঝে বড় বড় গর্তের কারণে ছোট-বড় যানবাহন ঠিকমত চলাচলও করতে পারছে না। তারা বলেন, রাস্তার বেহাল দশার কারনে বড় পরিবহন যোগে উৎপাদিত ফলস হাটে-বাজারে নিয়ে যাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে লোকসান করে কম দামে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করতে হচ্ছে। এছাড়া রাস্তায় চলাচলকারিরা চড়ম দুর্ভোগে পড়েছেন। এই দুর্ভোগ থেকে জনগণকে রক্ষা করতে দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ ব্যাপারে রাণীনগর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) ইসমাইল হোসেন বলেন, রাস্তাটি মেরামতের জন্য দরপত্রের মাধ্যমে ঠিকাদার নিযুক্ত করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই রাস্তাটির মেরামতের কাজ শুরু করা হবে।

দৈনিক চাঁদনী বাজার / সাজ্জাদ হোসাইন

উপরে