প্রকাশিত : ৭ আগস্ট, ২০২৫ ০২:১২
হাঁটু পানিতে কৃষি জমি, শেরপুরে রোপা-আমন চারা রোপণে উদ্বেগ
এনামুল হক, শেরপুর, বগুড়াঃ

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার নিম্নাঞ্চলে অতি ভারী বর্ষণের ফলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে, যা রোপা আমন ধান চাষে বিলম্ব ঘটাচ্ছে। উপজেলার মির্জাপুর, সুঘাট ও খানপুর ইউনিয়নের অনেক ফসলি জমি এখনও পানির নিচে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর রোপা-আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ২২,৩২৫ হেক্টর ধরা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১১,৩০০ হেক্টর জমিতে আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। বীজতলা প্রস্তুতির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১,৩২০ হেক্টর, যেখানে অর্জন হয়েছে ১,৩৮০ হেক্টর। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬০ হেক্টর বেশি জমিতে বীজতলা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এক কৃষি কর্মকর্তা জানান, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চারা রোপণের সময় রয়েছে এবং এর মধ্যে পানি নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
মির্জাপুর এলাকার কৃষক মো. হাফিজুর রহমান জানান, জমিতে পানি জমে থাকায় তারা রোপা আমনের চারা রোপণ করতে পারছেন না। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তিনি।
একই ধরনের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন ভবানিপুর এলাকার কৃষক রহিম উদ্দিন। তিনি বলেন, বীজতলা প্রস্তুত থাকলেও জমি না শুকানো পর্যন্ত রোপণ করা সম্ভব নয়, যা ফলন কমিয়ে দিতে পারে।
বগুড়া আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া জানান, জুলাই মাসে ২৪২ মিলিমিটার এবং আগস্টে এ পর্যন্ত ৪০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার আশ্বাস দিয়ে বলেন, “রোপা-আমন ধান চাষের জন্য চারার কোনো সংকট নেই। আমাদের পর্যাপ্ত বীজতলা মজুদ রয়েছে, যা আপদকালীন সময়ে ব্যবহার করা যাবে। কৃষকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।”
মির্জাপুর এলাকার কৃষক মো. হাফিজুর রহমান জানান, জমিতে পানি জমে থাকায় তারা রোপা আমনের চারা রোপণ করতে পারছেন না। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তিনি।
একই ধরনের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন ভবানিপুর এলাকার কৃষক রহিম উদ্দিন। তিনি বলেন, বীজতলা প্রস্তুত থাকলেও জমি না শুকানো পর্যন্ত রোপণ করা সম্ভব নয়, যা ফলন কমিয়ে দিতে পারে।
বগুড়া আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া জানান, জুলাই মাসে ২৪২ মিলিমিটার এবং আগস্টে এ পর্যন্ত ৪০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার আশ্বাস দিয়ে বলেন, “রোপা-আমন ধান চাষের জন্য চারার কোনো সংকট নেই। আমাদের পর্যাপ্ত বীজতলা মজুদ রয়েছে, যা আপদকালীন সময়ে ব্যবহার করা যাবে। কৃষকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।”