রংপুর মেডিকেল কলেজের প্রধান ফটকে সর্বস্তরের ছাত্র জনতার আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিলে
কোয়াটারে নারীসহ অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে ডাক্তার মারুফকে স্থায়ী অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর মেডিকেল কলেজের প্রধান ফটকে সর্বস্তরের ছাত্র জনতার আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন রংপুর মহানগর বৈছা আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ইমতিয়াজ হোসেন ইমতি।এছাড়াও বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণ করেন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিক্ষার্থী বৃন্দ।এ সময় বক্তারা ডাঃ মারুফকে স্থায়ীভাবে অপসরণের দাবি জানান। পরে বিক্ষোভকারীরা হাসপাতালের সামনে মানব্বন্ধন করে এবং পরিচালক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারক লিপি সম্পুর্কে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,পরিচালক, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান,অপসরনের বিষয়টি মন্ত্রালয়ের এ ব্যাপারে আমরা অবগত করিয়াছি।তবে ছাত্র জনতার এই দাবি গুলো যৌক্তিক এব্যাপারে আগামীতে মেডিকেল কর্তৃপক্ষ আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করবে। উলেখ্য বুধবার (৬ আগস্ট) দুপুরে রমেক হাসপাতালের চিকিৎসকদের কোয়ার্টারে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের হাতে হাতেনাতে ধরা পড়েন ডা. এ বি এম মারুফুল হাসান। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, চিকিৎসকের আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তারা ফ্ল্যাটে গিয়ে তাকে নারীসহ আটক করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান রমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান। পরে তিনি বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়ে উভয়কে পুলিশের হাতে তুলে দেন। এসময় চিকিৎসক ডা. মারুফুল হাসান বলেন, ‘ওই নারী আমার পূর্বপরিচিত। তার বাবার অসুস্থতার বিষয়ে পরামর্শ নিতে এসেছিল। তবে আটক নারী বলেন, আমি তাকে আগে থেকেই চিনি। একজন নারী অকারণে একটি পুরুষের বাসায় আসবে না,সেটি সমাজ বুঝতে পারে। রংপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান জানান, ‘ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে আটক করে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘একজন চিকিৎসকের এমন অনৈতিক কাজ মেনে নেওয়া যায় না। রমেকের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে ডা. মারুফকে স্থায়ীভাবে অপসারণ করতে হবে, নইলে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের মতো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
