পলাশবাড়ীতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি: ৩ মামলায় ১২ জন গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার ও অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) পুলিশ গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের আদালতে হাজির করলে বিচারক তাদের জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
এর আগে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে পলাশবাড়ী উপজেলার পৃথক তিনটি পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে ওই ১২ জনকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে নয়জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন— পলাশবাড়ী উপজেলার রোমেনা আক্তার ও আল ইমরান, ফুলছড়ি উপজেলার আবু সুফিয়ান, গাইবান্ধা সদর উপজেলার ফারজানা ববি, মোনালিসা আক্তার ও শারমিন আক্তার, সাদুল্যাপুর উপজেলার সুজন মিয়া, পলাশবাড়ী উপজেলার সুমন রানা এবং সাঘাটা উপজেলার রায়হান মিয়া।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালীন এসব পরীক্ষার্থী কৌশলে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বনের চেষ্টা করছিলেন। কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সন্দেহ হলে তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তাদের আটক করে থানায় নেওয়া হয়।
পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সারোয়ারে আলম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
