প্রকাশিত : ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬ ০১:০৪

নির্মাতা সুপিন বর্মন জুরি হিসেবে নেপাল আফ্রিকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে

খবর বিজ্ঞপ্তিঃ
নির্মাতা সুপিন বর্মন জুরি হিসেবে নেপাল আফ্রিকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে
সুপিন বর্মন । ছবি- বিজ্ঞপ্তির

চতুর্দশ নেপাল আফ্রিকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে জুরি হিসেবে অংশ নিতে নেপাল যাচ্ছেন নির্মাতা সুপিন বর্মন। গত মাসে উৎসব আয়োজকদের পক্ষ থেকে তিনি অফিসিয়ালি আমন্ত্রণ পান। তিন দিনব্যাপী এই উৎসব ১৬ জানুয়ারি থেকে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত নেপাল ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট বোর্ড মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।

বিলাক্সেন ক্রিয়েশনসের আয়োজনে এবং নেপাল ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের সহযোগিতায় আয়োজন করা উৎসবে আফ্রিকা ও নেপালের সহযোগিতায় বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের পূর্ণদৈর্ঘ্য, স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে।

সুপিন বর্মন জানিয়েছেন, তিনি গত তিন বছরে তার তিনটি শর্ট ফিল্ম নেপালের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে উপস্থাপন করেছেন। এবার অংশগ্রহণের ধরন ভিন্ন; তিনি শুধু চলচ্চিত্র দেখবেন না, বরং বিচারক হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন। ইতোমধ্যেই অনলাইনে প্রতিযোগিতার স্বল্পদৈর্ঘ্য বিভাগের চলচ্চিত্র দেখে বিচার সম্পন্ন করেছেন তিনি।

উৎসব পরিচালক ডাব্বু ছেত্রি বলেন, “বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র নির্মাতা ও কলাকুশলীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। ফলে সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন ও ভাব বিনিময়ের অসাধারণ সুযোগ তৈরি হয়। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র প্রতি আমাদের ধন্যবাদ যে আমরা প্রতিবছর এ শিল্প উপহার পাই।”

উল্লেখ্য, সুপিন বর্মন বগুড়া আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজক ও পরিচালক। তিনি ইতোমধ্যে বহু স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন এবং দেশ-বিদেশের পুরস্কার অর্জন করেছেন। এইবার তিনি দ্বিতীয়বারের মতো জুরি সদস্য হিসেবে দেশের বাইরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। এর আগে কলকাতার বিজয়গড় জ্যোতিষ রায় কলেজের অঙ্কুর চলচ্চিত্র উৎসবে ফিল্ম সিলেকশন বোর্ড এবং হরিয়ানা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে জুরি হিসেবে কাজ করেছেন।

এই উৎসবে বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণকারী চলচ্চিত্রগুলো হলো: খন্দকার সুমনের “সাঁতাও”, শায়লা রহমান তিথির “ঝরা পাতার চিঠি” এবং সাগর ইসলামের “নো ডাইচ”। সুপিন বর্মন আগামী ১৫ জানুয়ারি নেপালের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।

উপরে