প্রকাশিত : ২৮ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৪৩

মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়া বগুড়ার ১৩২ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা 

ষ্টাফ রিপোর্টার
মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়া বগুড়ার ১৩২ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা 
সারাদেশের বিভিন্ন মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়া বগুড়ার ১৩২ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছে মানিকস্ বায়োলজি স্কুল।  শনিবার সকালে শহরের টিটু মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিষ্ঠানের কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে অভিনন্দন ক্রেস্ট তুলে দেন জেলা সিভিল সার্জন ডা: খুরশীদ আলম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মেডিকেল শিক্ষার পাঁচটি বছর শিক্ষার্থীদের সমান মনোযোগ ও অধ্যবসায়ের সাথে অতিক্রম করতে হবে। তিনি বলেন, জ্ঞানের পরিধি কেবল বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না বরং বইয়ের বাইরেও জ্ঞান অর্জন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, একসময় বলা হতো যার জ্ঞান যত বেশি, সেই বেশি শক্তিশালী। কিন্তু বর্তমান সময়ে যার ঝুড়িতে তথ্য যত বেশি, সেই এগিয়ে থাকে। প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স চিকিৎসাবিদ্যাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাই এআই এর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে নিজেদের দক্ষতা বাড়িয়ে টিকে থাকতে হবে। তিনি বলেন, শিক্ষা ও চিকিৎসা অঙ্গনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বগুড়ার মানুষেরা ভূমিকা রেখে চলেছেন। সেই তালিকায় শুধুমাত্র মানিকস বায়োলজি থেকেই ১৩২ জন দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন তা সত্যিই গর্বের ও আনন্দের। তিনি শিক্ষার্থীদের মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন চিকিৎসক হিসেবে মানব সেবায় ব্রতী হওয়ার আহ্বান জানান। মানিকস্ বায়োলজির প্রতিষ্ঠাতা আমিনুল ইসলাম মানিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গাবতলী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ নূরে আলম সিদ্দিকী, আর আই কলেজের লেকচারার মোঃ রাসেল ও ডব্লিউ ফিজিক্সের মেন্টর ডাবলু। জয়কলি পাবলিকেশনস্ এর আর্থিক সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন জাহিদ হাসান ও আসাদ রিদ্দ। সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের মাঝে জাতীয় মেধাতালিকায় ২৫তম স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীসহ ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়া ৭ জন শিক্ষার্থী তাদের অনুভূতি প্রকাশকালে জানান, মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পাওয়া সত্যিই অনেক চ্যালেঞ্জের ছিল। দিনরাত কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে তাদের এই নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে। তাদের প্রস্তুতিতে মানিকস বায়োলজি যেভাবে তাদের পাশে থেকেছে শিক্ষার্থীরা সেজন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সাথে ভবিষ্যতে ভালো চিকিৎসক হয়ে তারা দেশ ও দশের কল্যাণে কাজ করারও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
উপরে