বগুড়ায় মামী-ভাগিনার পরকীয়া সম্পর্ক দেখে ফেলায় দেবরকে হত্যা
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় মামীর সঙ্গে ভাগিনার অবৈধ সম্পর্ক দেখে ফেলায় শাহ আলম নামে এক যুবককে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় নিহতের মামী আরিফা বেগম ৩২ ও তার পরকীয়া প্রেমিক শাহীন মিয়া ৪৫ কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত দু’জন আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
শিবগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম মঙ্গলবার ২৬ মে সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, উপজেলার বিহার ইউনিয়নের দোবিলা গ্রামে গত ১৬ মে সকালে ফসলি জমি থেকে শাহ আলমের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল।
তদন্তে উঠে আসে, নিহত শাহ আলমের মামী আরিফা বেগমের সঙ্গে শাহীন মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক চলছিল। শাহ আলম বিষয়টি জানতে পেরে মামীকে সতর্ক করেছিলেন।
ঘটনার রাতে শাহীন মিয়া আরিফার ঘরে গেলে শাহ আলম তা দেখে ফেলেন। পরে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে শাহীন মিয়া শাহ আলমের হাত থেকে হাসুয়া কেড়ে নিয়ে তাকে উপর্যুপরি কোপাতে থাকেন। এতে ঘটনাস্থলেই শাহ আলমের মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ ফসলি জমিতে ফেলে রাখা হয়।
শিবগঞ্জ থানা পুলিশ সোমবার রাতে আরিফা বেগম ও শাহীন মিয়াকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তাদের শনাক্ত করা হয়।
সহকারী পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম বলেন, “আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার তদন্ত চলছে।”
