বাড়ি দখল ও চাঁদা দাবির অভিযোগ মিথ্যা, সাবেক কাউন্সিলর হিরুর সংবাদ সম্মেলন
বগুড়ায় বাড়ি দখলের চেষ্টা, হামলা ও চাঁদা দাবির অভিযোগকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করেছেন বগুড়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো. দেলোয়ার হোসেন পশারী হিরু। এসব অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযোগকারী মোছা. রোকসানা বেগমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর এক লিখিত প্রতিবাদলিপিতে হিরু এসব কথা জানান। এর আগে ২৬ অক্টোবর বগুড়া প্রেসক্লাবে রোকসানা বেগম বাড়ি দখলের চেষ্টা, হামলা ও চাঁদা দাবির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেন বলে প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবাদলিপিতে সাবেক কাউন্সিলর হিরু দাবি করেন, বগুড়া সদর থানার মালগ্রাম মৌজায় তাঁর নিজস্ব ১০ শতক জমি রয়েছে। একই মৌজায় তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার মো. জহুরুল ইসলাম খান সজল একটি তিনতলা ভবন কিনে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তাঁদের প্রতিবেশী রোকসানা বেগম ওই সম্পত্তির উত্তর ও পূর্ব পাশে অনুমোদিত নকশা ছাড়াই বহুতল ভবন নির্মাণ শুরু করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
হিরুর দাবি, নকশাবহির্ভূত নির্মাণকাজের বিরুদ্ধে জহুরুল ইসলাম খান সজল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ ও মামলা করেন। মামলা চলাকালে নির্মাণকাজ অব্যাহত রাখার চেষ্টা হলে কর্তৃপক্ষ তদন্তের পর কাজ বন্ধ করে দেয়। এ ছাড়া নির্মাণকাজ নিয়ে রোকসানা বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক দেওয়ানি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বলেও প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
সাবেক কাউন্সিলর হিরু অভিযোগ করেন, নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর তাঁকে ও তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদারকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ইন্ধনে রোকসানা বেগম মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তবে এ অভিযোগের পক্ষে প্রতিবাদলিপিতে কোনো স্বাধীন প্রমাণ উল্লেখ করা হয়নি।
প্রতিবাদলিপিতে রোকসানা বেগমের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়েও অভিযোগ তোলা হয়। হিরুর দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাঁর ও বিএনপির নেতাদের সম্মান ক্ষুণ্ন করতে বাড়ি দখল ও হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে।
এসব অভিযোগকে মানহানিকর উল্লেখ করে হিরু জানান, রোকসানা বেগমের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মানহানির মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে সতর্ক থাকতে গণমাধ্যমকর্মী ও সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
