শিগগিরই দেশে যক্ষ্মা রোগের ওষুধ তৈরি হবে | Daily Chandni Bazar শিগগিরই দেশে যক্ষ্মা রোগের ওষুধ তৈরি হবে | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ৪ এপ্রিল, ২০১৯ ১৭:৫৮
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
শিগগিরই দেশে যক্ষ্মা রোগের ওষুধ তৈরি হবে
অনলাইন ডেস্ক

শিগগিরই দেশে যক্ষ্মা রোগের ওষুধ তৈরি হবে

শিগগিরই বাংলাদেশে যক্ষ্মা রোগের ওষুধ তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সরকারি ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা অ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডে (ইডিসিএল) একটি নতুন প্ল্যান্ট তৈরি করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সেখানে ওষুধ তৈরি হবে। ওষুধের অভাব এখনও নেই, তখন সক্ষমতা আরও বাড়বে। ৭০০ কোটি টাকার এটা শুরু হয়ে গেছে। সেখানে টিবি ড্রাগ (যক্ষ্মার ওষুধ) তৈরির পরিকল্পনা আমরা হাতে নিয়েছি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস-২০১৯ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আগামী ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালন করা হবে। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘সমতা ও সংহতি নির্ভর সার্বজনীন প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা’।

জাহিদ মালেক বলেন, এছাড়া দেশে অসংক্রামক রোগ দিন দিন বাড়ছে। বর্তমানে দেশে এমন রোগী রয়েছেন ৬৫ শতাংশ। একইসঙ্গে সরকার স্বাস্থ্য খাতে সমতা আনতে কাজ করে যাচ্ছে। কেউ স্বাস্থ্যসেবার বাইরে থাকবে না।

সরকারি হাসপাতালগুলোর আগুন নেভানোর ব্যবস্থা সম্পর্কে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে- জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা সব হাসপাতালে ইতোমধ্যে একটা নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছি, যদি অগ্নি দুর্ঘটনা ঘটে সেটাকে মোকাবেলা করার জন্য কী পদক্ষেপ নেবেন তা জানিয়েছি। এ ছাড়া আমরা ইমিডিয়েট অগ্নি মহড়া ও যেসব যন্ত্রপাতি রয়েছে, সেগুলো পরীক্ষার জন্য বলেছি। যেগুলো সচল নয় সেগুলো সচল করার ব্যবস্থা নিতে বলেছি।

সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা কর্ণার খোলা হবে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, আমরা হাসপাতালগুলোতে একটা ছোট্ট কর্ণার করার পরিকল্পনা করছি। যেখান থেকে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার দেয়া হবে। আমরা বিভিন্ন কর্ণার তৈরি করেছি, মা ও শিশুদের জন্য অটিস্টিক এবং শিশুদের জন্য প্রাইমারি হেলথ কেয়ারের একটি ডেডিকেটেড কর্ণার করতে চাই। যাতে ছোট অসুখ-বিসুখের জন্য ওখানে তারা প্রাইমারি হেলথ কেয়ারটা পাবেন। এর মাধ্যমেই আমরা সমতা সৃষ্টি করতে চাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে প্রতিবছর ৭ এপ্রিল বিশ্বব্যাপী যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালন হয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশেও দিবসটি উদযাপনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, জাতীয় পর্যায়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, সেমিনার, ক্রোড়পত্র প্রকাশ, আলোচনা অনুষ্ঠান, সড়কদ্বীপ সজ্জিতকরণ ও জারি গান। রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দিবসটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে। এছাড়া জেলা এবং উপজেলায় বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব হাবিবুর রহমান ও বাবলু কুমার সাহা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।