ডোমারে সেনাবাহিনীর বাড়ী উপহার পেল সাবেক ৩ মুক্তিযোদ্ধা সেনা সদস্যের পরিবার | Daily Chandni Bazar ডোমারে সেনাবাহিনীর বাড়ী উপহার পেল সাবেক ৩ মুক্তিযোদ্ধা সেনা সদস্যের পরিবার | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ৭ জুলাই, ২০২০ ২০:১৯
ডোমারে সেনাবাহিনীর বাড়ী উপহার পেল সাবেক ৩ মুক্তিযোদ্ধা সেনা সদস্যের পরিবার
সত্যেন্দ্র নাথ রায় , ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি:

ডোমারে সেনাবাহিনীর বাড়ী উপহার পেল 
সাবেক ৩ মুক্তিযোদ্ধা সেনা সদস্যের পরিবার

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় দুই মৃত্যুবরণকারী বীরমুক্তিযোদ্ধা সেনা সদস্যের পরিবার ও এক অবসরপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধাকে পাকা বাড়ী উপহার দিলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনা কল্যানের অর্থায়নে রংপুর এরিয়া সদর দপ্তরের তত্ত্ববধানে খোলাহাটি সেনানিবাসের ১৯ মিডিয়াম রেজিমেন্ট আর্টিলারির সদস্যরা বাড়ী উপহার দেন।মঙ্গলবার সকালে প্রথমে উপজেলার চিলাহাটির চৌকিদার মোড় এলাকায় সেনাবাহিনীর মৃত সাবেক সৈনিক রফিকুল ইসলাম ও একই এলাকার অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক আফিজার রহমানের পরিবারকে নতুন পাকা বাড়ির চাবি হস্তান্তর করা হয়। এরপর দুপুরে ডোমার পৌরসভার কলেজপাড়া এলাকার মৃত সাবেক কর্পোরাল রশিদুল হকের পরিবারকে চাবি হস্তান্তর করা হয়।

ওই সাবেক তিন সদস্যই ১৯৭১ সালের রনাঙ্গনের বীরমুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। বাড়ীর চাবি হস্তান্তর করেন, খোলাহাটি সেনানিবাসের ১৯ মিডিয়াম রেজিমেন্ট আর্টিলারির অধিনায়ক লে: কর্ণেল মো: আফির হোসেন, লে: নকিব হাসানসহ অন্যান্য সেনা সদস্যরা। অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক আফিজার রহমান জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় দেশের সকল সংকটে ঝাঁপিয়ে পড়ে। আমি গর্বিত যে, আমি সেনাবাহিনীর একজন সাবেক সদস্য। আজ আমার বৃদ্ধ বয়সে ভালোবাসার প্রতিষ্ঠান হতে ভালোবাসা হিসেবে একটি ভালো বাড়ী পেলাম।মৃত সাবেক সেনা সদস্য রফিকুল ইসলামের স্ত্রী বিলকিস বানু (৫৫) নতুন ঘর পেয়ে আনন্দে আপ্লুত হয়ে জানান, আমার স্বামীর মৃত্যু পরও তার কর্মস্থল হতে নতুন বাড়ী পেলাম। আর কিছু চাওয়ার নাই। সেনাবাহিনীর সদস্যদের জন্য আমার দোয়া রইল।প্রসঙ্গত, প্রতিটি বাড়ীতে দুইটি থাকার ঘর, একটি বাথরুম, একটি টিউবওয়েল, একটি রান্না ঘর রয়েছে। একটি বাড়ী নির্মানে পাঁচ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে। সেনাবাহিনীর সদস্যদের পক্ষ হতে রংপুর বিভাগে মোট ১৪ জন মৃত সাবেক সেনা সদস্যের পরিবারকে ৭৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বাড়ী উপহার দেওয়া হবে।

দৈনিক চাঁদনী বাজার/সাজ্জাদ হোসাইন