কারিগরি অধিদপ্তরে শিক্ষকদের ওপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ছাড়করণসহ ১১ দফা দাবি জানিয়েছে কারিগরি শিক্ষকদের বিভিন্ন সংগঠন।
মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, এমপিওভুক্ত কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সুবিধা ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। কারিগরি অধিদপ্তরের কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বাড়তি সুবিধা না পেলে শিক্ষকদের সরকারি পাওনার অর্থ ছাড় না দিয়ে উল্টো শিক্ষকদের শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করেছে।
লিখিত বক্তব্যে বাংলাদেশ বেসরকারি কৃষি ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সাখাওয়াত হোসেন ভূইয়া বলেন, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এমপিও শাখার সহকারী পরিচালক বিমল মিশ্র, সংযুক্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান ও সাইফুল ইসলামের অনতিবিলম্বে অপরাসরণ করতে হবে। তার সঙ্গে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদিত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ছাড়করণের দাবিসহ ১১ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি বলেন, সরকার কারিগরি শিক্ষাকে এগিয়ে নেওয়ার কথা বললেও অধিদপ্তরের কয়েকজন দুষ্কৃতিকারী শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন-ভাতা আটকে রেখেছে। সব শিক্ষা বোর্ড ডিজিটালাইজ করা হলেও এখানো কারিগারি শিক্ষা বোর্ডের সব কাজ এনালগ পদ্ধতিতে করা হচ্ছে। শিক্ষকরা তাদের পাওনা চাইতে গেলে তাদের চোর অপবাদ দিয়ে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। অপরাধীদের উপযুক্ত বিচার দাবি করে তাদের ১১ দফা দাবি তুলে ধরেন।
দাবিগুলো হচ্ছে- কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে কয়েকজন অধ্যক্ষ ও শিক্ষকের ওপর হামলায় জড়িতদের শিক্ষক সমাজের কাছে নিঃশর্তভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। অধিদপ্তরসহ সব প্রতিষ্ঠানগুলো কারিগরি বান্ধব, মানবিক ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন দক্ষ কর্মকর্তা পদায়ন/দায়িত্ব দিতে হবে। এ প্রতিষ্ঠানটিকে ডিজিটালাইজ করা, আবেদিত শিক্ষক-কর্মচারীদের কাম্য শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বর্তমান জনবল, কাঠামোর প্রাপ্যতা বিবেচনায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে বেতন-ভাতাদি ছাড় করাসহ ১১টি দাবি তুলে ধরা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলন শেষে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দাবি আদায়ে মানববন্ধন করবেন বলে ঘোষণা দেন শিক্ষকরা।
দৈনিক চাঁদনী বাজার / সাজ্জাদ হোসাইন