‘একটাও আউট করতে পারলি না ভাই?’ ভারতকে নিয়ে মজা শোয়েবের | Daily Chandni Bazar ‘একটাও আউট করতে পারলি না ভাই?’ ভারতকে নিয়ে মজা শোয়েবের | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ১১ নভেম্বর, ২০২২ ১৪:২০
‘একটাও আউট করতে পারলি না ভাই?’ ভারতকে নিয়ে মজা শোয়েবের
অনলাইন ডেস্ক

‘একটাও আউট করতে পারলি না ভাই?’ ভারতকে নিয়ে মজা শোয়েবের

হাঁকডাক দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসা ভারত সেমিফাইনালের মতো ম্যাচে রীতিমত মুখ থুবড়ে পড়লো। ১৬৮ রানের পুঁজি নিয়েও ন্যুনতম লড়াই করতে পারলো না ইংল্যান্ডের সঙ্গে। ১০ উইকেটের লজ্জার হারে বিদায় নিলো রোহিত শর্মার দল।

বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারতের এমন পারফরম্যান্স অবশ্য নতুন কিছু নয়। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও (২০২১ সালে) পাকিস্তানকে ১৫২ রানের লক্ষ্য দিয়ে ১০ উইকেটে হেরেছিল দলটি।

এবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই একই হাল। পাকিস্তানিরা কি এই সুযোগ মিস করবে? ভক্ত-সমর্থকরা ভারতের মান-ইজ্জত নিয়ে টানাটানি তো করছেনই, পাকিস্তানের সাবেক ফাস্ট বোলার শোয়েব আখতার ম্যাচ শেষ হতেই টুইট করেন, ‘একটাও আউট করতে পারলি না ভাই?’

সেখানেই থেমে থাকেননি শোয়েব। এরপর একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘ভারতের এই পরাজয় সত্যিই খুব বিস্ময়কর। এই ম্যাচটা একেবারে জঘন্য খেলেছে টিম ইন্ডিয়া। এমন পারফরম্যান্স করার পর ভারতের ফাইনালে ওঠার কোনও অধিকারই ছিল না। ভারতের বোলিং ব্যর্থতা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল। অস্ট্রেলিয়ার উইকেটে যেখানে যথেষ্ট গতি রয়েছে, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ভারতের হাতে কোনও ফাস্ট বোলার ছিল না। চাহাল ভারতের একজন ঠিকঠাক স্পিনার, ওকে কেন খেলানো হল না সেটাও বুঝতে পারলাম না।’

সঙ্গে যোগ করেন, ‘কোন মাপকাঠিতে ভারতের এই টিম সিলেকশন করা হল, সেটাই আমার মাথায় ঢুকছে না। আমরা মেলবোর্নে আপনাদের সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষা করছিলাম। এবার সেটা আর সম্ভব নয়। এমনিতে ভারতীয় ক্রিকেট দল যদি পাকিস্তানে খেলতে আসে, তাহলে বরাবরই আমরা স্বাগত জানাব। তবে সেটা নিয়ে বিশ্বকাপের পরেই কথা হবে। আজকের দিনটা ভারতের জন্য খুবই খারাপ ছিল।’

‘হাতের সম্পদগুলো ভারত ঠিকঠাক করে ব্যবহার করতে পারল না। যখন ভারত কিছুই করতে পারছিল না, তখন অন্তত রাউন্ড দ্য উইকেট এসে বাউন্সার মারতে পারতো। ম্যাচে একটা উত্তেজনা তৈরি হতো। কিন্তু, সেইসব কিছুই হল না। ইংল্যান্ড ইনিংসের প্রথম ৫ ওভারেই ভারত হাত তুলে দিয়েছিল। একটা নির্বিষ ম্যাচে ভারত হেরে গেল।’

 দৈনিক চাঁদনী বাজার / সাজ্জাদ হোসাইন