শাজাহানপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসে চলছে নানা অনিয়ম | Daily Chandni Bazar শাজাহানপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসে চলছে নানা অনিয়ম | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ২৬ ডিসেম্বর, ২০২২ ২২:০১
শাজাহানপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসে চলছে নানা অনিয়ম
শাজাহানপুর বগুড়া প্রতিনিধি

শাজাহানপুর উপজেলা 
মহিলা বিষয়ক অফিসে 
চলছে নানা অনিয়ম

অফিসে আসা যাওয়ার নির্ধারিত সময় মেনে চলছেন না বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানা। মন্ত্রিপরিষদের নির্দেশনা মোতাবেক মাঠপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জনস্বার্থে সকাল ৯টায় অফিসে আসার নিয়ম থাকলেও তা মানা হচ্ছেনা। এমন অভিযোগ উঠেছে শাজাহানপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। বেলা ১১টার আগে তিনি আফিসে আসেন না এমন তথ্য জানিয়েছেন তার দপ্তরের অফিস সহকারী নজরুল ইসলাম আকাশ। এছাড়া প্রশিক্ষণার্থী বাছাইয়ে দুর্নীতি, দায়িত্বে অবহেলাসহ নানা অভিযোগ উঠছে তার বিরুদ্ধে।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক দপ্তরের আওতাধীন কিশোর-কিশোরী ক্লাবের জেন্ডার প্রমোটর তাকিয়া খাতুন জানান, ক্লাবগুলোর অনুকুলে বরাদ্দকৃত অর্থ আমাদের হাতে দেওয়া হয়না।বিজয় দিবস উপলক্ষে ক্লাবগুলোর অনুকুলে কিছু টাকা বরাদ্দ ছিল।তার বিনিময়ে শুধু একটা ব্যানার দেয়া হয়েছে।কিশোর-কিশোরী ক্লাবের এক শিক্ষক বলেন, প্রতি সপ্তাহে ক্লাস শেষে ২০ টাকা করে নাস্তা দেওয়া হয়। অনেক সপ্তাহে আবার ক্লাস হয় না, কখনো উপস্থিত ৮/১০ জন থাকে। অনুপস্থিত থাকলে নাস্তার টাকা দেওয়া হয় না। সে টাকা গুলো কি হয় কেউ জানেনা। উপজেলা মহিলা বিষয়ক দপ্তর পরিচালিত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের গত ব্যাচের সেলাই প্রশিক্ষণার্থী সাজেদা বেগম জানান, তাদের সন্মানী ভাতা ১২ হাজার টাকার স্থলে ৬ হাজার টাকা দিতে চেষ্টা করেছিল পরে প্রশিক্ষণার্থীদের তোপের মুখে ১২ হাজার টাকা দেয়া হয়। সকল অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানা জানান, তিনি উপজেলা পরিষদের ক্যাম্পাসেই থাকেন। বাসা থেকে অফিসে যেতে মাত্র ২মিনিট সময় লাগে। তাই তিনি ২৪ ঘন্টা অনডিউটিতে থাকেন। ১২ হাজার টাকার স্থলে ৬ হাজার টাকা দেয়ার চেষ্টা করার  প্রসঙ্গে তিনি বলেন, করোনাকালী সব পেমেন্ট কমানো হয়েছিল। অফিস থেকে ভুল করে ৬ হাজার টাকার চিঠি করা হয়েছিলো। পরে বাজেট সমন্বয় করে ১২ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়েছে। ৯টি ক্লাবের প্রত্যেকটির জন্য ১হাজার টাকা করে বরাদ্দ ছিলো। সে টাকা থেকে তাদের জন্য প্যানা করে দেয়া হয়েছে। বাকি টাকা বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে খরচ হয়েছে। বগুড়া জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শহিদুল ইসলাম জানান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিস সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেখভাল করেন। কোন অভিযোগ থাকলে তা ইউএনও কে জানানোর পরামর্শ দেন তিনি। এ বিষয়ে শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদা খানম জানিয়েছেন, অফিসে আসা যাওয়া নিয়ে অনিয়মের বিষয়ে সকল অফিসারকে সতর্ক করেছেন।অন্যান্য অভিযোগ সম্পর্কে তার জানা নাই। কেউ অভিযোগ করেনি।অভিযোগ পাওয়া গেলে তিনি ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন। 

দৈনিক চাঁদনী বাজার / সাজ্জাদ হোসাইন..