বগুড়া শেরপুরের হাপুনিয়া গ্রামে “প্রত্যাশা সঞ্চয় ও ঋনদান সমিতিতে চাঁদা দাবী, মারধর, অফিস ভাংচুর ও নগদ সারে ১৭ লাখ টাকা লুটপাটে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন করেছে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা”। শনিবার (১৮ফেব্রুয়ারী) সকাল ১১টায় শেরপুর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের হাপুনিয়া এলাকায় বিগত ২০১৬ সালে প্রত্যাশা সঞ্চয় ও ঋনদান সমিতির কার্যক্রম শুরু হয়। অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে সমিতির অংশীদার আবু জাফর সিদ্দিকী ওরফে আলামিন সহ ২-৩ জন ওই সমিতি থেকে বের হয়ে যায়। এরপর থেকে তারা ওই সমিতির কর্মকতঅদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে।
চাঁদা না দেয়ায় গত ১৫ ফেব্রুয়ারী সন্ধায় কুসুম্বী ইউনিয়নের হাপুনিয়া গোসাইবাড়ি এলাকায় স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য আবু জাফর সিদ্দিকী, মোস্তফা এবং তাদের দলবল নিয়ে সমিতির কার্যালয়ে গিয়ে অফিসের কম্পিউটার ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এ সময় কর্মকর্তারা বাধা দিলে তাদের মারধর করে ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে চলে যায়। এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই ওই সমিতির সিনিয়ল ম্যানেজার সুলতান মাহমুদ বাদি হয়ে আবু জাফর সিদ্দিকী ওরফে আলামিন সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। থানায় অভিযোগ দেয়ায় সন্ত্রাসীরা তাদের প্রাননাশের হুমকি দেয়।
এ ঘটনায় শনিবার বেলা ১১ টার দিকে প্রত্যাশা সঞ্চয় ও ঋনদান সমিতির কর্মকর্তা ও সদস্যরা শেরপুর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মানববন্ধন করেছে। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সমিতির পরিচালক শহিদুল ইসলাম, সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, সিনিয়র ম্যানেজার সুলতান মাহমুদ, সদস্য হেলাল উদ্দিন প্রমূখ। বক্তারা সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
এ ব্যাপারে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আতাউর রহমান খোন্দকার বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
দৈনিক চাঁদনী বাজার / সাজ্জাদ হোসাইন