বগুড়ায় এনসিটিএফ নেতৃবৃন্দের সরকারি হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড পরিদর্শন | Daily Chandni Bazar বগুড়ায় এনসিটিএফ নেতৃবৃন্দের সরকারি হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড পরিদর্শন | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ৩ আগস্ট, ২০২৫ ০১:৩০
বগুড়ায় এনসিটিএফ নেতৃবৃন্দের সরকারি হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড পরিদর্শন
ষ্টাফ রিপোর্টার

বগুড়ায় এনসিটিএফ নেতৃবৃন্দের সরকারি 
হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড পরিদর্শন

বগুড়ায় শনিবার সকালে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড পরিদর্শন শেষে পরিলক্ষিত নানাবিধ সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে সুপারিশ প্রদান করেছে ন্যাশনাল চিলড্রেনস টাস্ক ফোর্স (এনসিটিএফ) বগুড়ার নেতৃবৃন্দ। ইয়েস বাংলাদেশের সহযোগিতায় শিশু নেতৃবৃন্দের এই পরিদর্শন কার্যক্রমে তারা ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা শিশু রোগীদের অভিভাবকদের সাথে কথা বলে নানাবিধ সমস্যা সম্পর্কে অবহিত হন যার মাঝে, ওষুধের পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকা, ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা রোগীর তুলনায় শয্যার সংকট, অপরিচ্ছন্ন শৌচাগার ব্যবস্থাপনা উল্লেখযোগ্য। অনেকে প্রশ্ন তোলেন হাসপাতালে সরবরাহকৃত খাবার নিয়েও। তবে শিশুদের স্বজনরা হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক ও নার্সদের আন্তরিক সেবা ও দায়িত্ববোধের বিষয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। এনসিটিএফ বগুড়ার সভাপতি জায়মা আলম মারিয়াম এর নেতৃত্বে এবং ইয়েস বাংলাদেশের জেলা ভলেন্টিয়ার সঞ্জু রায়ের ব্যবস্থাপনায় পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি শাহরিয়ার মাশফিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অপ্সরা বিনতে মোত্তালেব অনন্যা, সাংগঠনিক সম্পাদক পূজা সাহা, শিশু গবেষক যথাক্রমে মইনুদ্দিন চিশতী ও মেহেরুন্নেসা লামইয়া, শিশু সাংবাদিক ফাহিম শাহরিয়ার এবং চাইল্ড পার্লামেন্ট যথাক্রমে শাহরিয়ার আলিফ ও আয়েশা তাসনিয়া রেজা। পরিদর্শন কার্যক্রম শেষে পরিলক্ষিত সমস্যাগুলো নিয়ে এনসিটিএফ নেতৃবৃন্দ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: রাশেদুল ইসলাম রনির সাথে সাক্ষাৎ করে সার্বিক বিষয় অবগত করেন। সমস্যা সমাধানে শিশু নেতৃবৃন্দদের প্রদানকৃত সকল সুপারিশ ডা: রনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পৌঁছে দেয়ার কথা বলেন। তবে বাস্তবতার প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হলেও এখানে প্রতিদিন বিভিন্ন ওয়ার্ডে রোগী ভর্তি থাকে প্রায় চার শতাধিক। এছাড়াও বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ৭ থেকে ৮'শ রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। দিনের পর দিন রোগীর সংখ্যা বাড়লেও হাসপাতালের বরাদ্দ আসে ২৫০ শয্যার বিপরীতেই। তাই বাড়তি শয্যা কিংবা ঔষধ সরবরাহের ক্ষেত্রে তাদের বরাবরই হিমশিম খেতে হয়। নানা প্রতিবন্ধকতার মাঝেও তারা হাসিমুখে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন এবং বিশেষ করে শিশু ওয়ার্ডে তাদের গুরুত্ব সব সময়ই বেশি থাকে।