রাশিয়ান ফেডারেশনের জাতীয় পতাকা দিবস উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য গালা কনসার্ট | Daily Chandni Bazar রাশিয়ান ফেডারেশনের জাতীয় পতাকা দিবস উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য গালা কনসার্ট | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ২৩ আগস্ট, ২০২৫ ২০:১৯
রাশিয়ান ফেডারেশনের জাতীয় পতাকা দিবস উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য গালা কনসার্ট
সঞ্জু রায়:

রাশিয়ান ফেডারেশনের জাতীয় পতাকা 
দিবস উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য গালা কনসার্ট

রাশিয়ান ফেডারেশনের জাতীয় পতাকা দিবস উদযাপন উপলক্ষে ২২ আগস্ট শুক্রবার ঢাকার রবীন্দ্র সরোবর মুক্তমঞ্চে রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকার আয়োজনে বর্ণাঢ্য গালা কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাশিয়া ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সুন্দর সমন্বয়ে দুই দেশের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে ফুঁটে উঠেছিলো এই আয়োজন। আনুষ্ঠানিক পর্বে ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশে রাশিয়ান দূতাবাসের মিনিস্টার কাউন্সেলর বক্তব্য প্রদান করেন। তারা জাতীয় প্রতীকসমূহের গুরুত্ব এবং রাশিয়ান ত্রিবর্ণ পতাকার জাতীয় পরিচয় ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে তাৎপর্যের ওপর আলোকপাত করেন। সাংস্কৃতিক পর্বে খ্যাতনামা বাংলাদেশি সঙ্গীত দলসমূহ পরিবেশনা করে। শিক্ষার্থী দল “আকাশ’কোং” রুশ সঙ্গীত পরিবেশন করে, আর জনপ্রিয় রক ব্যান্ড “সোনার বাংলা সার্কাস” পরিবেশন করে রুশ সংগীতের পাশাপাশি নিজেদের মৌলিক বাংলা গান। সন্ধ্যার সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত ছিল ৩১ মিটার দীর্ঘ রাশিয়ান পতাকা দর্শকসারির মধ্য দিয়ে গাম্ভীর্যের সঙ্গে অগ্রসর হওয়া, যা উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে বিশেষ আবেগ সৃষ্টি করে। অতিথিরা রাশিয়ার জাতীয় প্রতীকসমূহের সাথে ছবি তোলার এবং স্মারক উপহার গ্রহণের সুযোগও পান। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে রাশিয়ান দূতাবাসের মিনিস্টার কাউন্সেলর মিস একাতেরিনা সেমেনোভা বলেন "এই কনসার্ট কেবল রাশিয়ান জাতীয় পতাকা উদযাপন নয়, বরং আমাদের দুই দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময়ের এক সেতুবন্ধন। আমরা আমাদের বাংলাদেশি বন্ধুদের আন্তরিক অভ্যর্থনা ও যৌথ উদযাপনের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।" অনুষ্ঠানে কূটনৈতিক মহল, বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থীসহ প্রায় ৮ হাজার স্থানীয় দর্শক উপস্থিত ছিলেন। তারা সবাই অনুষ্ঠানটির সফল আয়োজন এবং রুশ-বাংলাদেশি সম্পর্ক জোরদারে এর অবদানের প্রশংসা করেন। আয়োজকদের মতে কনসার্টে সকলের বিপুল উপস্থিতি ও সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে বাংলাদেশের জনগণ রুশ সংস্কৃতির প্রতি আন্তরিক আগ্রহী এবং এর মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে।