জনবল সংকটে ধুঁকছে সোনাতলা সমবায় অফিস, ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা | Daily Chandni Bazar জনবল সংকটে ধুঁকছে সোনাতলা সমবায় অফিস, ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ২৩ আগস্ট, ২০২৫ ২৩:৫২
জনবল সংকটে ধুঁকছে সোনাতলা সমবায় অফিস, ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা
মোঃ লতিফুল ইসলাম, সোনাতলা, বগুড়া

জনবল সংকটে ধুঁকছে সোনাতলা সমবায় অফিস, ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা সমবায় অফিসে জনবল সংকট চরমে পৌঁছেছে। দীর্ঘ আট মাস ধরে অফিসে উপজেলা সমবায় অফিসার নেই। এতে অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সেবা বঞ্চিত হচ্ছেন হাজারো মানুষ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর তৎকালীন উপজেলা সমবায় অফিসার অপূর্ব চন্দ্র দাস বদলি হয়ে অন্যত্র যোগ দেন। এরপর দীর্ঘ তিন মাস ওই পদটি শূন্য থাকার পর চলতি বছরের ৫ মার্চ থেকে জেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. সাজরাতুল আলম তৌহিদকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে তিনি নিয়মিত অফিসে না আসায় দাপ্তরিক কাজগুলো ব্যাহত হচ্ছে। মাঝে মাঝে বগুড়া থেকে এসে নথিতে সই করে চলে যান বা অফিসের স্টাফরা ফাইল নিয়ে বগুড়া গিয়ে তার কাছ থেকে সই করে আনতে বাধ্য হন।

অফিস সূত্রে জানা যায়, অফিসে মোট পাঁচটি পদের মধ্যে বর্তমানে মাত্র দুইজন কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন। উপজেলা সমবায় অফিসারের পদ শূন্য, দুইজন সহকারী পরিদর্শকের একজন প্রশিক্ষণে, আর অফিস সহকারীর পদটি চার বছর ধরে খালি। ফলে লোকবল সংকটে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঋণ আদায়, খাস পুকুর লাইসেন্স প্রদান ও তদারকি, সমবায় সমিতিগুলো পরিদর্শন, নতুন সমিতির নিবন্ধন, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও আইনী সহায়তাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

উপজেলার কামারপাড়া গ্রামের সেবাপ্রার্থী আব্দুল লতিফ (ছদ্মনাম) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “গত কয়েকদিন ধরে অফিসে সমিতি-সংক্রান্ত কাজে আসছি। কিন্তু অফিস থেকে বলা হচ্ছে, স্যার নেই। একটা কাজের জন্য দিনের পর দিন দৌড়াতে হচ্ছে— এটা অত্যন্ত ভোগান্তির।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. সাজরাতুল আলম তৌহিদ বলেন, “আমি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে সোনাতলার অফিসের কাজ দেখছি। কেউ সেবাবঞ্চিত হচ্ছে বলে আমার জানা নেই।” নিয়মিত অফিস না করার বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি এখান (বগুড়া) থেকেই দায়িত্ব পালন করি।” তবে লোকবল নিয়োগ কবে হবে সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাতে পারেননি।