দুপচাঁচিয়ায় সরিষার হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে মাঠ, ভালো ফলনের স্বপ্ন দেখছেন চাষীরা | Daily Chandni Bazar দুপচাঁচিয়ায় সরিষার হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে মাঠ, ভালো ফলনের স্বপ্ন দেখছেন চাষীরা | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬ ২৩:৩৯
দুপচাঁচিয়ায় সরিষার হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে মাঠ, ভালো ফলনের স্বপ্ন দেখছেন চাষীরা
খাইরুল ইসলাম দেওয়ান, দুপচাঁচিয়া, বগুড়াঃ

দুপচাঁচিয়ায় সরিষার হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে মাঠ, ভালো ফলনের স্বপ্ন দেখছেন চাষীরা

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় সরিষার হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে মাঠ। অবারিত মাঠ জুড়ে হলুদ ফুল হিমেল বাতাসে দোল খাওয়ার দৃশ্যটি দেখলে মন জুড়ে যায়। কাঙ্খিত আশা নিয়ে চাষীরা চেয়ে আছেন ভালো ফলন পাবে বলে। 
উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, এবার দুপচাঁচিয়ায় ৩ হাজার ৪শ ৬০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে বারি-১৪, বারি-১৫, বারি-১৭ ও বারি-১৮ উল্লেখযোগ্য। তবে এ উপজেলায় বারি-১৪ জাতের সরিষার চাষ বেশি হয় ও উৎপাদনও হয় ভালো। বর্তমানে যে আবওহায়া বিরাজ করেছে তা সরিষার জন্য বেশ উপযোগী। এখন পর্যন্ত সরিষার ক্ষেতের যে অবস্থা তাতে ভালো ফলন হবে তা আশা করছেন কৃষি অফিস। 
উপজেলার খিহালী চকপাড়া গ্রামের সরিষা চাষী সাহেব আলী এবার প্রায় ৪ বিঘা ও  খামার গাড়ী গ্রামের আব্দুর করিম প্রায় ৭ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছেন। তাঁরা জানান, সরিষা চাষে অন্যান্য ফসলের চেয়ে পরিশ্রম একটু কম করতে হয়। সঠিক সময়ে জমির উপযুক্ত মাটিতে পরিমিত পরিমাণ সার প্রয়োগ করে ভালো মানের বীজ বপণ করলে ফলন ভালো হয়। বর্তমানে ক্ষেতের যে অবস্থা তাতে বিঘা প্রতি ৫মণেরও অধিক সরিষা ফলনের আশা করছেন তারা। আরেক চাষী উপজেলার দেবখন্ড গ্রামের মেহেরুল ইসলাম বলেন, এবার জমির মাটিতে রস বেশি থাকায় সরিষা চাষে কিছুটা দেরী হয়েছে। তার পরেও ভালো ফলনের আশা করছেন তিনি। 
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মুহাম্মদ সাইফুল আবেদীন বলেন, এ বছর দুপচাঁচিয়ায় ৩ হাজার ৪শ ৬০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে । কৃষি অফিসের পক্ষ হতে চাষীদের সচেতন করার জন্য নানা ধরনে দিক নির্দেশনা ও পরামর্শ সহ প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। এর ফলে চাষীরা সরিষার ভালো উৎপাদন করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।