ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: বগুড়ার ৭ আসনে ৩৪ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ | Daily Chandni Bazar ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: বগুড়ার ৭ আসনে ৩৪ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ২১ জানুয়ারী, ২০২৬ ২৩:৫২
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: বগুড়ার ৭ আসনে ৩৪ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: বগুড়ার ৭ আসনে ৩৪ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি সংসদীয় আসনে মোট ৩৪ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে প্রার্থীরা নিজ নিজ প্রতীক গ্রহণ করেন।

এ সময় দলীয় প্রার্থীরা নিজ নিজ দলের প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পছন্দ অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দ পান। প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে বগুড়ার সাতটি আসনেই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হলো।

এর মধ্যে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তার পক্ষে প্রতীক গ্রহণ করেন বগুড়া জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা। দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের একজন এই আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা গেছে। তারা দাবি করছেন, বিপুল ভোটের ব্যবধানে দলের শীর্ষ নেতাকে নির্বাচিত করবেন।

অন্যদিকে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে বিএনপি ও নাগরিক ঐক্যের দুই প্রার্থীই নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। আসনটি নিয়ে শুরুতে কিছুটা রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি হয়। নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না অভিযোগ করেন, বিএনপি প্রথমে তাকে সমর্থন দিলেও পরবর্তীতে নিজস্ব প্রার্থী ঘোষণা করে। শেষ পর্যন্ত নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে মাহমুদুর রহমান মান্না ‘কেটলি’ প্রতীক এবং বিএনপির প্রার্থী মীর শাহে আলম ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে ভোটের লড়াইয়ে নামছেন।

প্রার্থী চূড়ান্ত ও প্রতীক বরাদ্দের পর বগুড়ার সাতটি আসনেই বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মিলছে। ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত বগুড়ার আসনগুলো বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত থাকলেও, এবারের নির্বাচনে সেই দুর্গে ভাগ বসাতে মরিয়া জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার সাতটি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২৯ লাখ ৮১ হাজার ৯৪০ জন।