সাঘাটায় সেচ পাম্প সংকটে ১০০ বিঘা জমির ফসল হুমকির মুখে | Daily Chandni Bazar সাঘাটায় সেচ পাম্প সংকটে ১০০ বিঘা জমির ফসল হুমকির মুখে | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ২২ জানুয়ারী, ২০২৬ ০০:০২
সাঘাটায় সেচ পাম্প সংকটে ১০০ বিঘা জমির ফসল হুমকির মুখে
নুর হোসেন রেইন, গাইবান্ধা

সাঘাটায় সেচ পাম্প সংকটে ১০০ বিঘা জমির ফসল হুমকির মুখে

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কচুয়া গ্রামে সেচ পাম্পের অভাবে প্রায় ১০০ বিঘা আবাদি জমিতে চরম সেচ সংকট দেখা দিয়েছে। এতে চলতি বোরো মৌসুমসহ অন্যান্য মৌসুমি ফসল উৎপাদন মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা।

ভুক্তভোগী কৃষক শাহিনুর হোসেন শেখ জানান, তার অধীনে থাকা প্রায় ১০০ বিঘা জমিতে বোরো ধান ও অন্যান্য ফসলের চাষ করা হয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় সেচ সুবিধা না থাকায় জমিতে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। সময়মতো সেচের ব্যবস্থা না হলে ফসল নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, সেচ পাম্প বরাদ্দের জন্য বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি), গাইবান্ধা কার্যালয়ে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পাশাপাশি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, সেচ পাম্প সংকটের কারণে তারা চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। অনেক কৃষক ঋণ নিয়ে চাষাবাদ শুরু করেছেন। কিন্তু সেচ সুবিধা নিশ্চিত না হলে চলতি মৌসুমে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হয়ে তারা মারাত্মক আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে পড়বেন।

এ অবস্থায় সেচ পাম্প পাওয়ার আশায় কৃষক শাহিনুর হোসেন শেখ গত ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে উপজেলা সেচ কমিটির কাছে পুনরায় আবেদন করেন। তিনি এলএলপি (LLP) সেচ পাম্প দ্রুত স্থাপনের দাবি জানিয়ে বলেন, এতে করে সংশ্লিষ্ট ১০০ বিঘা জমিতে নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে বিএডিসির সেচ পাম্প সংশ্লিষ্ট সহকারী প্রকৌশলী গোলাম হোসেন বলেন,
“আবেদনটি এলএলপি স্কিমের আওতায় অনুমোদিত হলে সেচ পাম্প স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা দ্রুত সেচ পাম্প বরাদ্দ ও স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে চলতি মৌসুমে ব্যাপক ফসলহানির আশঙ্কা করছেন তারা।