জয়পুরহাট-২ আসনে চমক ‘ডিসি বারী’ মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাওয়ায় এলাকায় আনন্দের বন্যা | Daily Chandni Bazar জয়পুরহাট-২ আসনে চমক ‘ডিসি বারী’ মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাওয়ায় এলাকায় আনন্দের বন্যা | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ০০:১৮
জয়পুরহাট-২ আসনে চমক ‘ডিসি বারী’ মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাওয়ায় এলাকায় আনন্দের বন্যা
​হাসান আলী, ক্ষেতলাল, জয়পুরহাট

জয়পুরহাট-২ আসনে চমক ‘ডিসি বারী’  মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাওয়ায় এলাকায় আনন্দের বন্যা

​প্রশাসনিক দক্ষতা আর জনসেবার ব্রত নিয়ে রাজনীতিতে নেমেই বাজিমাত করেছেন জয়পুরহাট-২ (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সাবেক সচিব আব্দুল বারী।  তিনি মন্ত্রিসভায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে স্থান পেয়েছেন। এমন একটি তালিকা সোসাল মিডিয়ায় খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই পুরো নির্বাচনী এলাকায় বইছে উৎসবের আমেজ ও মিষ্টি বিতরন।

​দীর্ঘ প্রশাসনিক ক্যারিয়ার শেষে রাজনীতিতে পা রেখেই বাজিমাত করেছেন তিনি। বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রথম নির্বাচনী লড়াইয়েই নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে ৬৫ হাজার ৫৪৮ ভোটের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এলাকায় তিনি সাধারণ মানুষের কাছে ‘ডিসি বারী’ নামেই পরিচিত।

​আবদুল বারীর জন্ম কালাই উপজেলার মাত্রাই ইউনিয়নের বলিশিব সমুদ্র গ্রামে। তিনি ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। সচিব হিসেবে অবসরের পর গত এক বছর ধরে তিনি এলাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদ্রাসা ও সামাজিক সংগঠনে সময় দিয়ে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেন।

বিএনপি নেতা খুরশিদ আলম চৌধুরী বলেন, উচ্চশিক্ষিত এই নেতা প্রশাসনে থাকাকালীনও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন ছিলেন। এলাকাবাসীর মতে, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা আর রাজনৈতিক দূরদর্শিতার মিশেলে তিনি জয়পুরহাটের অবহেলিত জনপদকে একটি আধুনিক মডেলে রূপান্তর করবেন। এমনটাই এখন সবার প্রত্যাশা।

 

ক্ষেতলাল পৌর বিএনপির সভাপতি প্রভাষক আব্দুল আলিম জানান, ডিসি বারী সাহেব মাঠ প্রশাসন থেকে সচিবালয় পর্যন্ত কাজ করেছেন। তাঁর এই অভিজ্ঞতা জয়পুরহাট-২ আসনের উন্নয়নে মাইলফলক হয়ে থাকবে। তাঁকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দেখার জন্য এলাকার মানুষ খুশি ও আনন্দিত ।

 

​ক্ষেতলাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদুল মাসুদ আঞ্জুমান বলেন, আব্দুল বারী সাহেব একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ মানুষ। তাঁর মতো একজন ব্যক্তিকে মন্ত্রিসভায় রাখা হলে কেবল জয়পুরহাট নয়, পুরো দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। আমরা তাঁর এই সাফল্যে গর্বিত।