ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, নির্বাচনকালীন প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের সবাই মিলে বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে সৈয়দপুর বিমানবন্দর-এ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে খাল, নদী ও জলাশয় খননসহ প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম নেওয়া হবে। তিনি বলেন, এ অঞ্চলে মোট ৫৭টি নদী রয়েছে—এর মধ্যে ৫৪টি ভারতের সঙ্গে এবং তিনটি মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। বাংলাদেশ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় একটি বড় মন্ত্রণালয় হওয়ায় পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, উত্তরাঞ্চল ক্রমেই খরাপ্রবণ হয়ে পড়ছে এবং অনেক এলাকা মরুকরণের ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই কীভাবে অঞ্চলটিকে মরুভূমিতে পরিণত হওয়া থেকে রক্ষা করা যায় এবং পানি সংরক্ষণ নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। শুকনো মৌসুমে কৃষিকাজে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে দুই দফা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলকে খরা থেকে মুক্ত করা সম্ভব হবে এবং এর ফলে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটবে।