প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার বিবৃতি: বগুড়ায় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি, ভুয়া পরিচয়ধারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি | Daily Chandni Bazar প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার বিবৃতি: বগুড়ায় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি, ভুয়া পরিচয়ধারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ১ মার্চ, ২০২৬ ২৩:৫৪
প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার বিবৃতি: বগুড়ায় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি, ভুয়া পরিচয়ধারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার বিবৃতি: বগুড়ায় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি, ভুয়া পরিচয়ধারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি

‎সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক কিছু ব্যক্তি নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি ও নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছেন—এমন অভিযোগ ক্রমেই বাড়ছে। এসব ঘটনায় প্রকৃত গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত মর্যাদা ও জনআস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।

‎এক যৌথ বিবৃতিতে বগুড়া প্রেসক্লাব–এর সভাপতি রেজাউল হাসান রানু ও সাধারণ সম্পাদক কালাম আজাদ এবং সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া–এর সভাপতি গনেশ দাস ও সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু সাঈদ বলেন, “সাংবাদিকতার নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

‎নেতৃবৃন্দ জানান, সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল, নীতিনিষ্ঠ ও জনকল্যাণমূলক পেশা। এখানে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ কিছু অসাধু ব্যক্তি ভুয়া পরিচয়ে অপকর্ম চালিয়ে পুরো গণমাধ্যম অঙ্গনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন।

‎তারা বলেন, “এসব কর্মকাণ্ডের ফলে প্রকৃত সাংবাদিকদের কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হচ্ছে। গণমাধ্যমের ভাবমূর্তি রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

‎বিবৃতিতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়— প্রকৃত সাংবাদিক ও ভুয়া পরিচয়ধারীদের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য নির্ধারণ করতে হবে। একই সঙ্গে যথাযথ নিবন্ধন, নীতিমালা প্রণয়ন ও জবাবদিহিতার আওতায় এনে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

‎সাংবাদিক নেতারা আরও স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “এরা সাংবাদিক নয়—পেশার নামে প্রতারক এবং প্রকৃত চাঁদাবাজ। গণমাধ্যমকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কোনো অপকর্ম বরদাশত করা হবে না।

‎তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে এসব ভুয়া ও কথিত সাংবাদিকদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় না আনলে সাংবাদিক সমাজ বৃহত্তর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।

‎গণমাধ্যমের মর্যাদা ও জনআস্থা অক্ষুণ্ণ রাখতে প্রশাসনের আন্তরিক ও দ্রুত সহযোগিতা কামনা করেছেন নেতৃবৃন্দ।