পাবনার ঈশ্বরদীতে চাঞ্চল্যকর দাদি ও নাতনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনার মূল হোতাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা বাঁশের লাঠি ও হাতুড়িও উদ্ধার করেছেন বলে রোববার সকালে জানিয়েছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি রাশিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, পুলিশি তৎপরতায় এই রহস্যের জট খুলতে শুরু করেছে। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত মূল আসামি শরিফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে আটক করা হয়েছিল, যাদের মধ্য থেকেই মূল অপরাধীকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
এর আগে শনিবার উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রাম থেকে সুফিয়া খাতুন (৬৫) এবং তার নাতনি জামিলা আক্তার (১৫) লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল।
পুলিশের ধারণা, কিশোরী নাতনিকে অপহরণে বাধা দেওয়ায় দাদিকে কুপিয়ে হত্যা এবং পরে নাতনিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় শনিবার রাত ১২টার দিকে নিহত সুফিয়া খাতুনের মেয়ে মর্জিনা খাতুন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা করেছেন বলে জানিয়েছেন ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামান।
তিনি আরও বলেন, মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত তদন্তের স্বার্থে জেলা ডিবি পুলিশকে এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ওসি রাশিদুল ইসলাম ও মমিনুজ্জামান আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, মূল আসামি তাদের জিম্মায় রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজকেই (রোববারই) হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও পেছনের রহস্য পুরোপুরি উন্মোচিত হবে।
তারা আরও জানান, এই হত্যাকাণ্ডের মোটিভ এবং গ্রেপ্তারের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরতে বিকালে পাবনা পুলিশ সুপার (এসপি) প্রেস ব্রিফিং করবেন। সেখান থেকেই পরিষ্কার হওয়া যাবে কী উদ্দেশ্যে এই জোড়া খুন করা হয়েছিল।