রাজশাহীতে পুলিশ পাহারায় তেল বিক্রি | Daily Chandni Bazar রাজশাহীতে পুলিশ পাহারায় তেল বিক্রি | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ৭ মার্চ, ২০২৬ ১৬:০৮
রাজশাহীতে পুলিশ পাহারায় তেল বিক্রি
ফয়সাল আলম, রাজশাহী

রাজশাহীতে পুলিশ পাহারায় তেল বিক্রি

রাজশাহীর কয়েকটি পেট্রোল পাম্পে পুলিশ পাহারায় দেওয়া হচ্ছে তেল। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানোর জন্য  পাম্পগুলোতে পুলিশ  অবস্থান করছে।তবে শুক্রবার রাত থেকে বেশিরভাগ পাম্পই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।  

শনিবার (৭ মার্চ) সকালে শাহমখদুম এয়ারপোর্টের সামনে হাবিব ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, পুলিশি পাহারায় দেওয়া হচ্ছে তেল। পাম্প কর্তৃপক্ষ বেঁধে দিয়েছে ক্রয়সীমা। ক্রয়সীমার বাইরে তেল দিচ্ছেন না তারা।   

এছাড়াও মহানগরীর মধ্যে থাকা পাম্পগুলো বন্ধ দেখা গেছে। নগরীর শিরোইল, ভদ্রা, তালাইমারী, কাটাখালী, আলুপট্টি, কুমারপাড়ায় তেল বিক্রি বন্ধ রেখেছে। নওদাপাড়ার বেশকিছু পাম্পে তেল বিক্রি চলছে। তবে সেখানে ২০০ টাকার বেশি কোন মোটরসাইকেলে তেল দিচ্ছে না। আবার কোন পাম্পে ১০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না। প্রাইভেটকারে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকার তেল দেওয়া হয়েছে। মিনি ট্রাকেও ১ হাজার টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। 

পাম্পের বিক্রয়কর্মীরা বলছেন, তেল সঙ্কটের গুঞ্জনে গেল দুইদিন থেকে চাপ বাড়ে পাম্পগুলোতে। এতে মোটরসাইকেলের সংখ্যাই বেশি। প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাসেও নেওয়া হচ্ছে তেল। এতে পাম্পগুলোতে রিজার্ভ তেলও ফুরিয়ে যাচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে পাম্প বন্ধ রাখতে হচ্ছে।  

পাম্প মালিকরা বলছেন, ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী তেল সরররাহ পাওয়া যাচ্ছে না। চাহিদা ২ হাজার লিটার থাকলেও দেওয়া হচ্ছে ১ হাজার লিটার। এ কারণে সঙ্কট আরও বাড়ছে। পরিস্থিতি কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে তাও বলা যাচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে পাম্প বন্ধ রাখতে হচ্ছে। 

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় মোট ২৭৯টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। আর রাজশাহীতে আছে ৪২টির মতো। 

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের রাজশাহী বিভাগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল বলেন, গত তিন দিন ধরে ফিলিং স্টেশনগুলো চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছে না। ফলে পাম্পগুলো চাহিদামতো তেল বিক্রি করতে পারছে না। ইতোমধ্যে কয়েকটি ফিলিং স্টেশন তেল না থাকায় বন্ধ হয়ে গেছে। যেগুলোতে তেল রয়েছে, সেগুলোতে অল্প অল্প করে দেওয়া হচ্ছে।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, কোন পাম্পে যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সেজন্য পুলিশ দেওয়া হয়েছে। কারণ যারা তেল নিচ্ছে তারা অতিরিক্ত চাচ্ছে। এতে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হচ্ছে। পাম্পের কর্মী ও মালিকদের নিরাপত্তার জন্য এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।