বগুড়ায় জিরার সঙ্গে তুলনামূলক কম দামি ক্যারাওয়ে সিড মিশিয়ে জিরা হিসেবে বিক্রির অভিযোগে এক মসলার গুদাম মালিককে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) শহরের এরুলিয়া এলাকার কৃষ্ণপুরে জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও র্যাব-১২ এর যৌথ অভিযানে এ দণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, কৃষ্ণপুর এলাকার মো. শাহিন আলমের মসলার গুদামে আমদানি করা জিরার সঙ্গে প্রায় অর্ধেক দামের জিরাসদৃশ ‘ক্যারাওয়ে সিড’ মেশানো হচ্ছিল। পরে এসব মিশ্রিত মসলা জিরার সমমূল্যে বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে প্যাকেটজাত করে রাখা হয়।
এছাড়া আমদানির সময় পণ্যের ঘোষণায় ‘ক্যারাওয়ে সিড’ উল্লেখ থাকলেও, পলিশ মেশিনে উজ্জ্বল করে ভারতীয় একটি নামি ব্র্যান্ডের নকল মোড়কে তা ‘জিরা’ হিসেবে বাজারজাত করার প্রমাণ পায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমাদের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষ স্বীকার করায় তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়।
বগুড়া জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা রাসেল জানান, অভিযানে ৪২ বস্তা জিরা এবং ১৮০ বস্তার বেশি ক্যারাওয়ে সিড জব্দ করা হয়েছে। আমদানির ঘোষণা অনুযায়ী পণ্য বিক্রি নিশ্চিত করতে স্থানীয় মসলা আমদানিকারক সমিতির সভাপতিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
র্যাব-১২ এর একটি দল অভিযানে সহায়তা করে। জনস্বার্থে এ ধরনের ভেজালবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।