সরকারি সম্পদ নষ্ট না করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর- শাকপালা পার্ক পরিদর্শনে সতর্কবার্তা মীর শাহে আলমের | Daily Chandni Bazar সরকারি সম্পদ নষ্ট না করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর- শাকপালা পার্ক পরিদর্শনে সতর্কবার্তা মীর শাহে আলমের | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ২৭ মার্চ, ২০২৬ ২৩:৫৩
সরকারি সম্পদ নষ্ট না করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর- শাকপালা পার্ক পরিদর্শনে সতর্কবার্তা মীর শাহে আলমের
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি সম্পদ নষ্ট না করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর- শাকপালা পার্ক পরিদর্শনে সতর্কবার্তা মীর শাহে আলমের

অতি উৎসাহী হয়ে কোনো কাজ করতে গিয়ে সরকারি সম্পদ নষ্ট না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে বগুড়া শহরের শাকপালা এলাকায় অবস্থিত সিঅ্যান্ডবি পার্ক পরিদর্শনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লন্ডনে অবস্থান করেও বগুড়ার এই পার্ক নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন, যা তার এলাকার প্রতি আন্তরিকতার প্রমাণ। তবে তিনি প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে অতি উৎসাহী হয়ে এমন কোনো কাজ করা উচিত নয়, যাতে সরকারি সম্পদের অপচয় ঘটে। এতে ব্যয় সাশ্রয় হবে এবং কাজের গুণগত মান ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয় বজায় থাকবে।

পার্কটির মালিকানা ও উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, শুরু থেকেই এটি সড়ক ও জনপথ বিভাগ-এর আওতাধীন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হলেও অর্থসংকটে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। পরে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পার্কটির দায়িত্ব পুনরায় সওজের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পৌরসভার কার্যক্রম প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনস্বার্থে কিছু উন্নয়ন কাজ করা হলেও সওজের প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র (এনওসি) নেওয়া হয়নি। ফলে এ পর্যায়ে পৌরসভার কাজ সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এখন থেকে পার্কের উন্নয়ন ব্যয় ও পরিকল্পনা নির্ধারণ করবে সওজ কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি পার্কে নিমগাছের আধিক্য রাখার নির্দেশ দেন তিনি।

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী মহাস্থানের উদ্দেশ্যে রওনা হন। সেখানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কার্যালয়ের জন্য নির্ধারিত জমি পরিদর্শন ছাড়াও শিবগঞ্জে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, বগুড়া শহরের সাতমাথা থেকে প্রায় ৩ দশমিক ৬ কিলোমিটার দূরে শাকপালা ও ফুলতলার মাঝামাঝি এলাকায় প্রায় ৭ দশমিক ০৪ একর জমির ওপর ২০০৪-০৫ সালের দিকে পার্কটি নির্মিত হয়। দীর্ঘদিন অবহেলায় জরাজীর্ণ হয়ে পড়া এই পার্কটি বর্তমানে পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।