বগুড়ায় উৎসাহ-উদ্দীপনায় দিন বদলের মঞ্চের বর্ষবরণ ও চৈত্রসংক্রান্তি উদযাপন | Daily Chandni Bazar বগুড়ায় উৎসাহ-উদ্দীপনায় দিন বদলের মঞ্চের বর্ষবরণ ও চৈত্রসংক্রান্তি উদযাপন | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ০২:১৯
বগুড়ায় উৎসাহ-উদ্দীপনায় দিন বদলের মঞ্চের বর্ষবরণ ও চৈত্রসংক্রান্তি উদযাপন
নিজস্ব প্রতিবেদক

বগুড়ায় উৎসাহ-উদ্দীপনায় দিন বদলের মঞ্চের বর্ষবরণ ও চৈত্রসংক্রান্তি উদযাপন

 উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বগুড়ায় দিন বদলের মঞ্চ বগুড়ার উদ্যোগে চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বিদায় ও বর্ষবরণ উদযাপন করা হয়েছে।

দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের শুরু হয় সকাল ৯টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে। বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) বগুড়া জেলা কমিটির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না।

সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে উদীচী বগুড়ার শিল্পীবৃন্দ বর্ষবরণের গান পরিবেশন করেন। পরে দিন বদলের মঞ্চ বগুড়ার সভাপতি আরিফুল হক খান রনিকের সভাপতিত্বে এবং যুব ইউনিয়ন বগুড়া জেলা সভাপতি ও সংগঠনের নেত্রী ফারহানা আক্তার শাপলার সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তব্য দেন সিপিবি বগুড়া জেলা সভাপতি জননেতা মো. আমিনুল ফরিদ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) বগুড়া জেলা শাখার সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট দিলরুবা নূরী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বগুড়ার সাবেক সমন্বয়ক ও ছাত্র ইউনিয়ন বগুড়া জেলার সাবেক সভাপতি ছাব্বির আহম্মেদ রাজসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও উৎসবের দেশ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেই বর্ষবরণ ও নববর্ষ উদযাপন করে থাকে। তারা বলেন, বৈশাখের উৎসব অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক এবং এটি বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও সাংস্কৃতিক ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করে।

নেতৃবৃন্দ নববর্ষে নতুন শপথ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িকতা, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রের আদর্শে সমাজ গঠনের আহ্বান জানান।

এ সময় কুষ্টিয়ায় পীরের আস্তানায় হামলা ও অগ্নিসংযোগ এবং সুফি সাধক আব্দুর রহমান শামিম হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানানো হয়। বক্তারা অবিলম্বে হামলাকারী ও হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পাশাপাশি দেশের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান জানান তারা।

আলোচনা সভা শেষে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়, যা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে পান্তা উৎসবের আয়োজন করা হয়।

দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পল্লিগীতি পরিষদ, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, সপ্তসুর শিল্পীগোষ্ঠী ও চর্চা সাংস্কৃতিক একাডেমির শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন। নৃত্যছন্দম ও অন্যান্য নৃত্যশিল্পীরা নৃত্য পরিবেশনায় অংশ নেন।