মহাস্থানগড়ের শাহ সুলতান বলখী (রহ.) মাজারের দানবাক্সে তিন মাসে সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা | Daily Chandni Bazar মহাস্থানগড়ের শাহ সুলতান বলখী (রহ.) মাজারের দানবাক্সে তিন মাসে সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ৪ জুন, ২০২৬ ০০:১৮
মহাস্থানগড়ের শাহ সুলতান বলখী (রহ.) মাজারের দানবাক্সে তিন মাসে সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

মহাস্থানগড়ের শাহ সুলতান বলখী (রহ.) মাজারের দানবাক্সে তিন মাসে সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা

শাহ সুলতান বলখী (র.) মাজার-এর ১৫টি দানবাক্সে মাত্র তিন মাসে জমা পড়েছে প্রায় ৩৪ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। নগদ অর্থের পাশাপাশি দানবাক্সে পাওয়া গেছে স্বর্ণালংকার, বৈদেশিক মুদ্রা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে সরকারি কর্মকর্তা, প্রশাসনের প্রতিনিধি ও মাজার কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।

মাজার কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি ২৫ জন স্কুলশিক্ষার্থীর সহায়তায় টাকা গণনার কাজ শুরু হয়। প্রথম দিনে গণনা শেষ না হওয়ায় বুধবার সকালে আবারও গণনা শুরু করা হয়। পরে বিকেলে গণনা শেষে মোট অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়।

মাজার কমিটির সদস্যরা জানান, এবার দানবাক্সের সংখ্যা বেশি থাকায় আগেরবারের তুলনায় প্রাপ্ত অর্থও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। নগদ অর্থ ছাড়াও পাওয়া স্বর্ণালংকার ও বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ম অনুযায়ী সংরক্ষণ ও তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। পরে নগদ অর্থ অগ্রণী ব্যাংক-এ মাজারের হিসাবে জমা দেওয়া হয়েছে।

টাকা গণনার কাজে অংশ নেওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, এত বিপুল পরিমাণ অর্থ গণনার অভিজ্ঞতা তাদের জন্য ভিন্নধর্মী ছিল এবং ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল কাজে এটি সহায়ক হবে।

মহাস্থানগড়ে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজারো ভক্ত ও দর্শনার্থী আসেন। তারাই এসব অর্থ দানবাক্সে দান করেন।

টাকা গণনা কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহজালাল বলেন, “দুই দিন ধরে ১৫টি দানবাক্স খুলে টাকা গণনা করা হয়েছে। এতে ২৫ জন শিক্ষার্থী সহযোগিতা করেছে। এবার মোট প্রায় ৩৪ লাখ ৫৪ হাজার টাকা পাওয়া গেছে।”

এর আগে প্রায় তিন মাস আগে খোলা পাঁচটি দানবাক্স থেকে প্রায় ১৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা পাওয়া গিয়েছিল। সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈশাখ মাসের শেষ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত বার্ষিক ওরস মাহফিলে বিপুল মানুষের সমাগম হওয়ায় এবার দানের পরিমাণ বেড়েছে।