সরকারি গেজেটে সারিয়াকান্দি নদীবন্দর, সীমানা নির্ধারণ ও বিআইডব্লিউটিএকে সংরক্ষক নিয়োগ | Daily Chandni Bazar সরকারি গেজেটে সারিয়াকান্দি নদীবন্দর, সীমানা নির্ধারণ ও বিআইডব্লিউটিএকে সংরক্ষক নিয়োগ | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ১০ জুলাই, ২০২৬ ০১:১৪
সরকারি গেজেটে সারিয়াকান্দি নদীবন্দর, সীমানা নির্ধারণ ও বিআইডব্লিউটিএকে সংরক্ষক নিয়োগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি গেজেটে সারিয়াকান্দি নদীবন্দর, সীমানা নির্ধারণ ও বিআইডব্লিউটিএকে সংরক্ষক নিয়োগ

বগুড়ার সারিয়াকান্দি নদীবন্দরের সীমানা নির্ধারণ করেছে সরকার। একই সঙ্গে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ) বন্দরের সংরক্ষক (কনজারভেটর) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কাজী আরিফ বিল্লাহ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বুধবার (৮ জুলাই) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের টিএ শাখা থেকে জারি করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা প্রজ্ঞাপন দুটিতে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ছন্দা পাল সই করেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বন্দর আইন, ১৯০৮-এর আওতায় সরকার সারিয়াকান্দি নদীবন্দরের সংরক্ষক হিসেবে বিআইডব্লিউটিএকে নিয়োগ দিয়েছে। একই সঙ্গে বন্দরের সীমানা নির্ধারণ করে সেখানে আইনের বিধান কার্যকর করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনের তফসিল অনুযায়ী, বন্দরের উত্তর সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার সারিয়াকান্দি সদর ইউনিয়নের কালিতলা ঘাটের উত্তরে হাটশেরপুর ইউনিয়নের খুদ্দ বলাইল মৌজার দিঘাপাড়া ঘাটসংলগ্ন এলাকা থেকে যমুনা নদী অতিক্রম করে পূর্ব তীরে কাজলা ইউনিয়নের বেড়া পাঁচবাড়িয়া মৌজার জামফল ঘাট পর্যন্ত।

দক্ষিণ সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে সারিয়াকান্দি উপজেলার কর্ণিবাড়ী ইউনিয়নের চরশ্মশানপাড়া মৌজার ময়রাপাড়া ঘাট (দেবডাঙ্গা)-এর দক্ষিণ দিক থেকে যমুনা নদী অতিক্রম করে পূর্ব তীরে কর্ণিবাড়ী ইউনিয়নের নারাপালা মৌজার মূলবাড়ী পর্যন্ত।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, নদীর পূর্ব ও পশ্চিম তীরে সাধারণ ভরাকটালের সময় সর্বোচ্চ পানির সমতল (হাই ওয়াটার মার্ক) থেকে স্থলভাগের দিকে ৫০ গজ পর্যন্ত এলাকা বন্দরের আওতাভুক্ত থাকবে।

গেজেটভুক্ত বন্দর এলাকার মধ্যে দিঘাপাড়া ঘাট, কালিতলা ঘাট, ময়রাপাড়া ঘাট (দেবডাঙ্গা), জামফল ঘাট, শোনপচা ঘাটসহ বিদ্যমান সব খাল ও ঘাট অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এ ছাড়া নৌপথের উন্নয়ন, জেটি বা অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ এবং যাত্রীসুবিধা নিশ্চিত করার প্রয়োজনে বন্দরসীমানার মধ্যে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন থাকলে, তা বিআইডব্লিউটিএর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাতিল বলে গণ্য হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।