জাতীয় সংসদে পাস বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬ | Daily Chandni Bazar জাতীয় সংসদে পাস বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬ | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ১৫ জুলাই, ২০২৬ ০০:৩৪
জাতীয় সংসদে পাস বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদে পাস বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬

বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এর মাধ্যমে ২০০১ সালের বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন বাতিল করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৪তম দিনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশসহ বিলটি উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।

নতুন আইনে বগুড়া জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে। প্রস্তাবিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, জীবনবিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি, কলা, সমাজবিজ্ঞান, আইন, ব্যবসায় প্রশাসন, কৃষি ও চিকিৎসাবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ থাকবে।

আইনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পাশাপাশি এমফিল, পিএইচডি এবং পোস্ট-ডক্টরাল গবেষণার সুযোগ রাখার বিধান করা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি, পেশাগত দক্ষতা, গবেষণা ও অর্থনীতির চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এ ছাড়া শিল্প, বাণিজ্য, সমাজ ও অর্থনীতি সংশ্লিষ্ট স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি কোর্স চালুর সুযোগ রাখা হয়েছে। এসব কোর্স অনলাইন দূরশিক্ষণ ও ক্যাম্পাসভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে পরিচালনা করা যাবে।

এর আগে গত ৭ জুলাই শিক্ষামন্ত্রী বিলটি সংসদে উত্থাপন করলে তা অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। পরে কমিটির সুপারিশসহ মঙ্গলবার বিলটি পাস হয়।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ-সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১ ১৫ জুলাই ২০০১ সালে গেজেট আকারে প্রকাশিত হলেও তা কখনও বাস্তবায়ন করা হয়নি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রশাসনিক ও একাডেমিক প্রস্তুতি চলমান থাকায় আগের পরিকল্পনার পরিবর্তে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, মানসম্মত উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, গবেষণা জোরদার, উদ্ভাবন উৎসাহিত করা এবং এ অঞ্চলে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই নতুন আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।