শেরপুরে নিষিদ্ধ রাসায়নিক দিয়ে আইসক্রিম তৈরি, প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমান | Daily Chandni Bazar শেরপুরে নিষিদ্ধ রাসায়নিক দিয়ে আইসক্রিম তৈরি, প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমান | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ২১ আগস্ট, ২০২৬ ০১:১৩
শেরপুরে নিষিদ্ধ রাসায়নিক দিয়ে আইসক্রিম তৈরি, প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমান
নিজস্ব প্রতিবেদক

শেরপুরে নিষিদ্ধ রাসায়নিক দিয়ে আইসক্রিম তৈরি, প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমান

বগুড়ার শেরপুরে নিষিদ্ধ রাসায়নিক ঘনচিনি (সোডিয়াম সাইক্লামেট) ও খাদ্যে ব্যবহার নিষিদ্ধ রাসায়নিক রং দিয়ে আইসক্রিম তৈরির অভিযোগে প্রিন্স সুপার আইসক্রিম কারখানার স্বত্বাধিকারী মো. শিহাব উদ্দিনকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ রাসায়নিক দিয়ে তৈরি আইসক্রিম জব্দ করে জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত বগুড়ার শেরপুর উপজেলার কুসুম্বি ইউনিয়নের বাগড়া কলোনি এলাকায় অবস্থিত প্রিন্স সুপার আইসক্রিম কারখানায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা প্রশাসন, বগুড়া ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বগুড়ার যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত অভিযানে দেখা যায়, কারখানাটিতে আইসক্রিম তৈরিতে নিষিদ্ধ রাসায়নিক ঘনচিনি (সোডিয়াম সাইক্লামেট) এবং খাদ্যে ব্যবহার নিষিদ্ধ রাসায়নিক রং ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিমের কোন কাপ প্রস্তুত এবং প্রয়োজনীয় নিবন্ধন ছাড়াই শিশুখাদ্য আইসক্রিম উৎপাদন করা হচ্ছিল।
অভিযানকালে কারখানার ফ্রিজে নিষিদ্ধ রাসায়নিক রং ও ঘনচিনি দিয়ে তৈরি বিপুল পরিমাণ আইসক্রিমও পাওয়া যায়।
পরে এসব অপরাধের কথা স্বীকার করায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহরাব হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ৩৯ ধারা লঙ্ঘনের অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মো. শিহাব উদ্দিন (৪৮)-কে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
এ সময় বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষিত নিষিদ্ধ রাসায়নিক রং ও ঘনচিনি দিয়ে প্রস্তুতকৃত বিপুল পরিমাণ আইসক্রিম বিধি মোতাবেক জব্দ করে জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।
অভিযানে নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. রাসেল, দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক তাহমিনা আক্তার, শেরপুর, বগুড়াসহ অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ উপস্থিত ছিলেন। সার্বিক নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করে জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল।
অভিযান শেষে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে সরকারের প্রচলিত সব আইন ও বিধি মেনে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।