জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বগুড়ায় পূজা উদযাপন পরিষদের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত | Daily Chandni Bazar জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বগুড়ায় পূজা উদযাপন পরিষদের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ২১ আগস্ট, ২০২৬ ২০:০৫
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বগুড়ায় পূজা উদযাপন পরিষদের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
ষ্টাফ রিপোর্টার

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বগুড়ায় পূজা 
উদযাপন পরিষদের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

আগামী ৪ই সেপ্টেম্বর শুক্রবার শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসবকে সামনে রেখে বগুড়ায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ মহানগর শাখার বিশেষ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে শহরের সাতমাথা সনাতন ধর্ম মন্দিরে এ সভার আয়োজন করা হয়। সংগঠনের মহানগর শাখার সভাপতি পরিমল প্রসাদ রাজের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এবং বগুড়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর পরিচালক পরিমল চন্দ্র দাস। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। প্রতি বছর উৎসবমুখরভাবে এই দিনটি উদযাপিত হয় এইবারও তার বিকল্প হবেনা। সেই লক্ষ্যে জেলার সভাপতি হিসেবে তিনি পূজা উদযাপন পরিষদের সকল উপজেলা, মহানগর ও জেলার নেতৃবৃন্দদের নিজ নিজ দায়িত্ব সুন্দরভাবে পালন করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এই আয়োজন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। তাই বগুড়ার ১৩টি উপজেলায় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে প্রাণবন্তভাবে যেন সনাতন ধর্মাবলম্বী সকলে যেন এই উৎসব নির্বিঘ্নে উদযাপন করতে পারে সেই লক্ষ্যে সব ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত সবকিছু ভালভাবেই সম্পন্ন হবে মর্মে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। শুক্রবারের বিশেষ সভায় সাংগঠনিক বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরে আরো বক্তব্য রাখেন পূজা উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দ যথাক্রমে জাতীয় ক্রীড়াবিদ গোপাল তেওয়ারী, শেখর রায়, জীবন দাস, রিপন ঘোষ, কমল আগারওয়াল, সুদেব দাস, খোকন দাস, পলাশ দাস প্রমুখ। সভায় জন্মাষ্টমী উৎসবকে ঘিরে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। যার মাঝে উল্লেখযোগ্য হলো- বগুড়া শহরের সকল মন্দির থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তবৃন্দরা স্ব স্ব ব্যানার নিয়ে প্রতিবছরের ন্যায় সকাল সাড়ে ৭ টায় বগুড়া জিলা স্কুলে উপস্থিত হবেন। সেখান থেকে ঠিক ৮টায় একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করবে। শোভাযাত্রাটিকে আনন্দঘন ও বর্ণিল করার লক্ষ্যে বাদ্যদলের পাশাপাশি ধর্মীয় সাজে সকলকে সুসজ্জিত হয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। এছাড়াও একই দিন সন্ধ্যায় প্রতিটি মন্দিরে শ্রী কৃষ্ণের বিশেষ পূজার ব্যবস্থা করা হবে যেখানে দেশ ও দশের শান্তিকল্পে প্রার্থণা অনুষ্ঠিত হবে।