প্রকাশিত : ২৫ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:০৬
দেড় টাকায় বিদ্যুৎ! উদ্ভাবনটি আসলে কার?
বগুড়া শেরপুর সংবাদদাতা
বগুড়ার এরুলিয়ায় স্থানীয় উদ্ভাবকদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে নির্মিত আলোচিত সেই ফ্লাইহুইল প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক প্ল্যান্ট । ছবি: চাঁদনী বাজার।
বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমীর (আরডিএ) 'ফ্লাইহুইল' প্রযুক্তির মাধ্যমে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনের গবেষণা নিয়ে চরম বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। আরডিএ এই গবেষণাকে নিজেদের দীর্ঘ ১২ বছরের সাফল্য দাবি করে ২৫ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব করলেও, মূল উদ্ভাবকদের দাবি আরডিএ কর্মকর্তারা কেবল পরিদর্শন করতে এসে এখন মালিকানা দাবি করছেন।
আরডিএ জানায়, ২০১৪ সাল থেকে উপপরিচালক ড. মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি দল এই গবেষণা চালিয়েছে। তাদের দাবি, এই প্রযুক্তিতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ হবে মাত্র দেড় টাকা। এই সফলতার ভিত্তিতে তারা ‘জলবায়ু-সংকটাপন্ন অঞ্চলে টেকসই বিদ্যুৎ সরবরাহ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে।
প্রযুক্তির মূল উদ্ভাবক মতিয়ার রহমান সরকার ও মিজানুর রহমান আরডিএ-র এই দাবি অস্বীকার করেছেন। তাদের বক্তব্য, তারা নিজস্ব প্রচেষ্টায় এবং প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে দীর্ঘ ২২ বছর ধরে এই গবেষণা করছেন। আরডিএ-র সাথে তাদের কোনো লিখিত চুক্তি বা গবেষণার কোনো আর্থিক সম্পর্ক নেই। চলতি বছরের মে মাসে তারা কেবল সরকারি সহায়তার জন্য আরডিএ-তে গিয়েছিলেন, কিন্তু এখন আরডিএ কর্মকর্তারা নিজেদের গবেষক হিসেবে দাবি করছেন।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান জানান, মতিয়ার ও মিজান ২০০৪ সাল থেকে ব্যক্তিগত সম্পদ ও শ্রম ব্যয় করে এই উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করছেন। গবেষণার প্রাথমিক পর্যায়ে সরকারি কোনো সহযোগিতা ছিল না।
আরডিএ-র উপপরিচালক ড. মনিরুল ইসলাম স্বীকার করেছেন যে, উদ্ভাবকদের সাথে তাদের কোনো লিখিত চুক্তি বা আর্থিক লেনদেনের নথি নেই। মৌখিক নির্দেশনার মাধ্যমেই গবেষণা চলেছে বলে তিনি দাবি করেন। অন্যদিকে, আরডিএ-র ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. আব্দুল মজিদ জানান, গবেষণায় সরকারের কোনো টাকা খরচ হয়নি, সব টাকা দুই উদ্যোক্তাই দিয়েছেন।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. ফারসিম মান্নান মোহাম্মদী এই প্রযুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ইনপুট শক্তির চেয়ে আউটপুট শক্তি বেশি হওয়া বিজ্ঞানের সূত্রের বিরোধী। তাই তৃতীয় কোনো পক্ষের মাধ্যমে এর সঠিক পরিমাপ ও যাচাই করা প্রয়োজন।
প্রযুক্তির মূল উদ্ভাবক মতিয়ার রহমান সরকার ও মিজানুর রহমান আরডিএ-র এই দাবি অস্বীকার করেছেন। তাদের বক্তব্য, তারা নিজস্ব প্রচেষ্টায় এবং প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে দীর্ঘ ২২ বছর ধরে এই গবেষণা করছেন। আরডিএ-র সাথে তাদের কোনো লিখিত চুক্তি বা গবেষণার কোনো আর্থিক সম্পর্ক নেই। চলতি বছরের মে মাসে তারা কেবল সরকারি সহায়তার জন্য আরডিএ-তে গিয়েছিলেন, কিন্তু এখন আরডিএ কর্মকর্তারা নিজেদের গবেষক হিসেবে দাবি করছেন।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান জানান, মতিয়ার ও মিজান ২০০৪ সাল থেকে ব্যক্তিগত সম্পদ ও শ্রম ব্যয় করে এই উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করছেন। গবেষণার প্রাথমিক পর্যায়ে সরকারি কোনো সহযোগিতা ছিল না।
আরডিএ-র উপপরিচালক ড. মনিরুল ইসলাম স্বীকার করেছেন যে, উদ্ভাবকদের সাথে তাদের কোনো লিখিত চুক্তি বা আর্থিক লেনদেনের নথি নেই। মৌখিক নির্দেশনার মাধ্যমেই গবেষণা চলেছে বলে তিনি দাবি করেন। অন্যদিকে, আরডিএ-র ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. আব্দুল মজিদ জানান, গবেষণায় সরকারের কোনো টাকা খরচ হয়নি, সব টাকা দুই উদ্যোক্তাই দিয়েছেন।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. ফারসিম মান্নান মোহাম্মদী এই প্রযুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ইনপুট শক্তির চেয়ে আউটপুট শক্তি বেশি হওয়া বিজ্ঞানের সূত্রের বিরোধী। তাই তৃতীয় কোনো পক্ষের মাধ্যমে এর সঠিক পরিমাপ ও যাচাই করা প্রয়োজন।