কোচিংয়ে না পড়লে ফেল করানোর হুমকি! সান্তাহারে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ | Daily Chandni Bazar কোচিংয়ে না পড়লে ফেল করানোর হুমকি! সান্তাহারে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:৫৩
কোচিংয়ে না পড়লে ফেল করানোর হুমকি! সান্তাহারে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ
আদমদীঘি বগুড়া সংবাদদাতাঃ

কোচিংয়ে না পড়লে ফেল করানোর হুমকি! সান্তাহারে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

কোচিং এর নমুনা ছবি। BBC বাংলা হতে সংগৃহীত

 বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার হার্ভে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং নিজস্ব কোচিং সেন্টারে পড়তে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। কোচিংয়ে না পড়লে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা।

বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট বিকেলে এসব অভিযোগের প্রতিকার ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে বিদ্যালয়ের সাধারণ অভিভাবকদের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হক বেশ কিছুদিন ধরে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক ও দুর্ব্যবহারমূলক আচরণ করে আসছেন। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভীতি ও মানসিক চাপ তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, সান্তাহার পৌর শহরের সোনার বাংলা মার্কেটের তৃতীয় তলায় ওই শিক্ষকের একটি কোচিং সেন্টার রয়েছে। সেখানে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়তে যেতে চাপ দেওয়া হয়। কোচিংয়ে না পড়লে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা।

এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

অভিযোগের বিষয়ে সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হক বলেন, ‘স্কুলের পর কোচিং করাতেই পারি। স্কুলের পড়াশোনার পরিস্থিতি ভালো নয়। এ কারণে দুর্বল শিক্ষার্থীরা আমার কোচিংয়ে পড়তে পারে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্য বা দুর্ব্যবহার করি না। তাদের শাসন করার কারণে এমন অভিযোগ করা হতে পারে।’

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার জাহিদুল ইসলাম বলেন, সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিজে কোচিং সেন্টার খুলে সেখানে শিক্ষার্থী পড়ানোর বিষয়টি কোনো নীতিমালায় নেই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মাসুমা বেগম বলেন, অভিভাবকরা ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।