মাদরাসার ছাত্রীদের সামনে অশালীন অঙ্গভঙ্গি, যুবকের গলায় জুতার মালা | Daily Chandni Bazar মাদরাসার ছাত্রীদের সামনে অশালীন অঙ্গভঙ্গি, যুবকের গলায় জুতার মালা | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:৫৪
মাদরাসার ছাত্রীদের সামনে অশালীন অঙ্গভঙ্গি, যুবকের গলায় জুতার মালা
চাঁদনী ডিজিটাল ডেস্ক রিপোর্টঃ

মাদরাসার ছাত্রীদের সামনে অশালীন অঙ্গভঙ্গি, যুবকের গলায় জুতার মালা

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মাদরাসাছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে সুমন হোসেন নামের এক যুবককে আটক করে গলায় জুতার মালা পরিয়ে গ্রামে ঘোরানোর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

সোমবার বিকেলে উপজেলার কাষ্টভাঙা ইউনিয়নের কুমারহাটি মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত সুমন হোসেন উপজেলার মথনপুর গ্রামের আলম হোসেনের ছেলে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সুমন বেশ কিছুদিন ধরে মাদরাসায় যাতায়াতের সময় ছাত্রীদের বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত ও অশালীন অঙ্গভঙ্গি করতেন। সোমবার সকালে মাদরাসার সামনে গিয়ে আবারও ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। পরে স্থানীয়রা তাকে আটক করে মাদরাসায় নিয়ে যান।

খবর পেয়ে সুমনের বাবা, স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যদের মাদরাসায় ডেকে আনা হয়। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। একপর্যায়ে তাকে গলায় জুতার মালা পরিয়ে মাদরাসা থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে তাকে জুতার মালা পরিয়ে এলাকায় ঘোরানো হয় বলে স্থানীয়রা জানান।

মাদরাসার শিক্ষক সামাউল ইসলাম বলেন, ‘প্রায়ই আমরা খবর পেতাম, এক যুবক শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করেন। আজ তাকে গ্রামবাসী ধরে মাদরাসায় নিয়ে আসে। উত্তেজিত জনতার রোষানল থেকে বাঁচাতে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাকে জুতার মালা পরিয়ে বের করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’

কাষ্টভাঙা ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে আমি মাদরাসায় যাই। ওই যুবক আমার ওয়ার্ডের বাসিন্দা। স্থানীয়দের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে জুতার মালা পরিয়ে বের করে দেওয়া হয়।’

মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার নুরুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে গ্রামবাসী ওই যুবককে মাদরাসায় নিয়ে আসে। পরে তার পরিবারের সদস্যরা সেখানে আসেন। এরপর গ্রামবাসী তাকে জুতার মালা পরিয়ে মাদরাসা থেকে বের করে দেয়।’

তবে অভিযুক্ত সুমন হোসেন ও তার পরিবারের সদস্যরা এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।