বগুড়ায় সিএনজি স্ট্যান্ডের সভাপতিকে লক্ষ্য করে ফাঁকা গুলি ও ছুরিকাঘাতে আহত করার মামলায় ৫ জন গ্রেফতার | Daily Chandni Bazar বগুড়ায় সিএনজি স্ট্যান্ডের সভাপতিকে লক্ষ্য করে ফাঁকা গুলি ও ছুরিকাঘাতে আহত করার মামলায় ৫ জন গ্রেফতার | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৪
বগুড়ায় সিএনজি স্ট্যান্ডের সভাপতিকে লক্ষ্য করে ফাঁকা গুলি ও ছুরিকাঘাতে আহত করার মামলায় ৫ জন গ্রেফতার
নিজস্ব প্রতিবেদক

বগুড়ায় সিএনজি স্ট্যান্ডের সভাপতিকে লক্ষ্য করে ফাঁকা গুলি ও ছুরিকাঘাতে আহত করার মামলায় ৫ জন গ্রেফতার

‎বগুড়ায় পূর্বশত্রুতার জেরে সিএনজি স্ট্যান্ডের সভাপতি মোঃ মোকছেদুল হাসানকে (৩৮) কুপিয়ে ও মারধর করে গুরুতর আহত করার মামলায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১২। এ সময় তাদের সঙ্গে থাকা আরও তিনজনকে আটক করে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
‎র‌্যাব জানায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে বগুড়া মহানগরের মাটিডালী উত্তরপাড়ায় কার হাউসের বিপরীতে নিউ প্রাপ্ত মোটরসের সামনে বসেছিলেন মোকছেদুল হাসান। এ সময় মামলার এজাহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১৫ জন একটি হাইস গাড়ি ও মোটরসাইকেলে সেখানে আসে। তাদের কয়েকজনের হাতে পিস্তল এবং অন্যদের হাতে লাঠি ও হকস্টিক ছিল। আতঙ্ক সৃষ্টি করতে তারা কয়েকটি ফাঁকা গুলি ছোড়ে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
‎পরে আসামিরা মোকছেদুল হাসানকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। একপর্যায়ে রামদা দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তিনি বাম হাত দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করেন। এতে তার কব্জিতে গুরুতর জখম হয়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
‎এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় মামলা করেন। গত ৬ সেপ্টেম্বর দায়ের করা মামলায় দ্রুত বিচার আইনসহ দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৬, ৩০৭ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
‎র‌্যাব-১২ জানায়, মামলার পলাতক আসামিরা শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিড়া বোটক্লাব এলাকায় অবস্থান করছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মামলার এজাহারনামীয় ৭ নম্বর আসামি সিজার শেখ (২৫) এবং তদন্তে প্রাপ্ত আসামি মোঃ মহরম ওরফে ক্যাইলা মহরম ওরফে সজীবকে (৩৪) গ্রেপ্তার করা হয়।
‎এ সময় তাদের সঙ্গে থাকা রুবাই (২২), আশিকুর রহমান আকাশ (৩১) ও আবু জিহাদ (২৮) নামে আরও তিনজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। পরে তাদের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।